শ্যালককে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল দুলাভাইয়ের
বগুড়ার শাজাহানপুরে মাদকদ্রব্য কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধে শ্যালককে রক্ষা করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এতে আরও একজন আহত হয়েছেন।
সোমবার (২০ জুলাই) রাতে উপজেলার খোট্টাপাড়া ইউনিয়নের ঘাষিড়া গ্রামের জর্জিসের ইটভাটা এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত রঞ্জু মিয়া (৫০) ও আহত খোরশেদ আলম (৩৫) উভয়ই ঘাষিড়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। নিহত রঞ্জু মিয়া ওই এলাকার মৃত নিজামউদ্দিনের ছেলে এবং আহত খোরশেদ আলম একই এলাকার ফজলার রহমানের ছেলে। সম্পর্কে তারা একে অপরের শ্যালক-দুলাভাই।
স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে ঘাষিড়া এলাকার ইটভাটার কাছে মাদক কেনা-বেচা নিয়ে অভিযুক্ত রোজসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২ থেকে ৩ জনের সঙ্গে খোরশেদ আলমের তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা ধারালো ছুরি নিয়ে খোরশেদের ওপর হামলার চেষ্টা চালায়। এ সময় তাকে বাঁচাতে খোরশেদের বোনজামাই রঞ্জু মিয়া এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা তার বুকে সরাসরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে যা
বগুড়ার শাজাহানপুরে মাদকদ্রব্য কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধে শ্যালককে রক্ষা করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এতে আরও একজন আহত হয়েছেন।
সোমবার (২০ জুলাই) রাতে উপজেলার খোট্টাপাড়া ইউনিয়নের ঘাষিড়া গ্রামের জর্জিসের ইটভাটা এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত রঞ্জু মিয়া (৫০) ও আহত খোরশেদ আলম (৩৫) উভয়ই ঘাষিড়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। নিহত রঞ্জু মিয়া ওই এলাকার মৃত নিজামউদ্দিনের ছেলে এবং আহত খোরশেদ আলম একই এলাকার ফজলার রহমানের ছেলে। সম্পর্কে তারা একে অপরের শ্যালক-দুলাভাই।
স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে ঘাষিড়া এলাকার ইটভাটার কাছে মাদক কেনা-বেচা নিয়ে অভিযুক্ত রোজসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২ থেকে ৩ জনের সঙ্গে খোরশেদ আলমের তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা ধারালো ছুরি নিয়ে খোরশেদের ওপর হামলার চেষ্টা চালায়। এ সময় তাকে বাঁচাতে খোরশেদের বোনজামাই রঞ্জু মিয়া এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা তার বুকে সরাসরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রঞ্জু মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত খোরশেদ আলম বর্তমানে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শাজাহানপুর থানার ওসি আশিক ইকবাল জানান, খবর পেয়েই পুলিশের একটি দল নিয়ে তারা ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।