শ্রমিক নেতা হত্যায় মামলা: প্রধান আসামি বহিষ্কৃত যুবদল নেতা
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সহসভাপতি মানিক মিয়াকে (৪০) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় গৌরীপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে নিহতের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সদ্য বহিষ্কৃত ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শোয়েব মুন্সীকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এতে নাম উল্লেখ করা ৮ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনসহ মোট ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার অন্য এজাহারনামীয় আসামিরা হলেন- অলি মুন্সী, নূহ মুন্সী, আল ইমরান খান, হাদীস মিয়া, উজ্জ্বল মিয়া, রিফাত খান ও জুনায়েদ। তবে এ ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। নিহতের পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত ১১টার দিকে গৌরীপুর পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে শোয়েব মুন্সী ও তার সহযোগীরা মানিক মিয়াকে তুলে নিয়ে যান। পরে তাকে বেদম মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে বুধবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত মা
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সহসভাপতি মানিক মিয়াকে (৪০) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় গৌরীপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে নিহতের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় সদ্য বহিষ্কৃত ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শোয়েব মুন্সীকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এতে নাম উল্লেখ করা ৮ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনসহ মোট ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অন্য এজাহারনামীয় আসামিরা হলেন- অলি মুন্সী, নূহ মুন্সী, আল ইমরান খান, হাদীস মিয়া, উজ্জ্বল মিয়া, রিফাত খান ও জুনায়েদ। তবে এ ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
নিহতের পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত ১১টার দিকে গৌরীপুর পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে শোয়েব মুন্সী ও তার সহযোগীরা মানিক মিয়াকে তুলে নিয়ে যান। পরে তাকে বেদম মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে বুধবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত মানিক মিয়া গৌরীপুর পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার আজিবুল ইসলামের ছেলে।
এদিকে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার পরপরই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শোয়েব মুন্সী, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের সদস্য আল ইমরান খান এবং গৌরীপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিফাত হাসানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
নিহতের ভাই সুখ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে শোয়েব মুন্সী ও তার লোকজন আমার ভাইকে পিটিয়ে আহত করেন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আসামিদের লোকজন আমাদের হুমকি দেন এবং দুর্ঘটনা বলে ভাইকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে বাধ্য করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমার ভাই মারা যান। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান আসামি শোয়েব মুন্সী দাবি করেন, এ ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। নিহত মানিকের সঙ্গে অন্যদের মাদক সংক্রান্ত বিরোধ ছিল, সেই কারণে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। আমি আগামী গৌরীপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। একটি মহল রাজনৈতিকভাবে ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে এই মিথ্যা অপবাদ ছড়াচ্ছে।
গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মানিক মিয়া হত্যা মামলায় শোয়েব মুন্সীসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনকে আসামি করে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে এবং বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।
What's Your Reaction?