শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদককে গুলি করে হত্যা

বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহাগ শেখকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৪ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের পানবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সোহাগ শেখ (৪০) উদয়পুর গ্রামের বাসিন্দা ও আবু দাউদ শেখের ছেলে। তিনি উদয়পুর বাজারে ‘মেসার্স শেখ ট্রেডার্স’ নামে স্যানিটারি ও হার্ডওয়্যারের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে বাজারে নিজের দোকান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন সোহাগ শেখ। বাজারের পশ্চিম পাশে একটি পানের দোকানের সামনে সড়কে পৌঁছালে মোটরসাইকেলে করে আসা অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি সড়কে পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মোল্লাহাট থানার ওসি কাজী রমজানুল হক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারণেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। এদিকে জানা গেছে, এর

শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদককে গুলি করে হত্যা

বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহাগ শেখকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৪ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের পানবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সোহাগ শেখ (৪০) উদয়পুর গ্রামের বাসিন্দা ও আবু দাউদ শেখের ছেলে। তিনি উদয়পুর বাজারে ‘মেসার্স শেখ ট্রেডার্স’ নামে স্যানিটারি ও হার্ডওয়্যারের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে বাজারে নিজের দোকান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন সোহাগ শেখ। বাজারের পশ্চিম পাশে একটি পানের দোকানের সামনে সড়কে পৌঁছালে মোটরসাইকেলে করে আসা অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি সড়কে পড়ে যান।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মোল্লাহাট থানার ওসি কাজী রমজানুল হক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারণেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।

এদিকে জানা গেছে, এর আগে গত ৭ মার্চ সোহাগ শেখের দোকানের কর্মচারী নুর ইসলাম (২৭)কে উপজেলার কাহালপুর এলাকায় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা গুলি করে আহত করে। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow