শ্রমিকদল নেতা রিপন হত্যা, চট্টগ্রাম থেকে ২ আসামি গ্রেপ্তার
বরগুনার আমতলীতে আলোচিত শ্রমিকদল নেতা রিপন কাজী হত্যা মামলার দুই এজাহারভুক্ত আসামিকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বরগুনার আমতলী উপজেলার কালিবাড়ী এলাকার মো. রাসেল কাজী (৩২), বাদশা কাজীর ছেলে এবং মো. সোহাগ কাজী (৪২), ফিরোজ কাজীর ছেলে। শনিবার (৪ জুলাই) রাতে চট্টগ্রাম মহানগরের পতেঙ্গা থানার ৪১ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব-৮ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮-এর সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র্যাব-৭-এর সদর কোম্পানির একটি যৌথ আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কৃষিকাজের পাশাপাশি রিপন কাজী শ্রমিকদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পারিবারিক জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তদের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলছিল। নিহতের বাবা একাধিক বিয়ের পর নিজের নামে থাকা জমি অভিযুক্তদের কাছে বিক্রি করলে রিপন কাজী তাতে বাধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের বিরোধ চরমে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, গত ৩০ জুন পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থাকা অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে রিপন কাজীর ওপর হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করেন। তার চি
বরগুনার আমতলীতে আলোচিত শ্রমিকদল নেতা রিপন কাজী হত্যা মামলার দুই এজাহারভুক্ত আসামিকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বরগুনার আমতলী উপজেলার কালিবাড়ী এলাকার মো. রাসেল কাজী (৩২), বাদশা কাজীর ছেলে এবং মো. সোহাগ কাজী (৪২), ফিরোজ কাজীর ছেলে।
শনিবার (৪ জুলাই) রাতে চট্টগ্রাম মহানগরের পতেঙ্গা থানার ৪১ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৮ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮-এর সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র্যাব-৭-এর সদর কোম্পানির একটি যৌথ আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কৃষিকাজের পাশাপাশি রিপন কাজী শ্রমিকদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পারিবারিক জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তদের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলছিল। নিহতের বাবা একাধিক বিয়ের পর নিজের নামে থাকা জমি অভিযুক্তদের কাছে বিক্রি করলে রিপন কাজী তাতে বাধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের বিরোধ চরমে ওঠে।
অভিযোগ রয়েছে, গত ৩০ জুন পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থাকা অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে রিপন কাজীর ওপর হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করেন। তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে গত ২ জুলাই পটুয়াখালী সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আসামিদের গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু হয়। গ্রেপ্তার এড়াতে তারা বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করে অবস্থান পরিবর্তন করছিলেন। গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে চট্টগ্রামে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৮ জানায়, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, গ্রেফতার দুই আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?