শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি ৩০ হাজার টাকা করতে হবে: অ্যাড. আতিকুর রহমান
শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি ৩০ হাজার টাকা করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান। শনিবার সকালে ঝিনাইদহ শিশু একাডেমিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ‘দায়িত্বশীল সম্মেলন’ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ২০২৩ সালে শিল্পখাতের শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়। তখন থেকেই আমরা বলে আসছি, শ্রমিকদের সঙ্গে বৈষম্য করা হয়েছে। আমরা তখন থেকেই দাবি করে আসছি, কমপক্ষে ৩০ হাজার টাকা মজুরি নির্ধারণ করতে হবে। বাংলাদেশে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও মূল্যস্ফীতির কারণে এই বেতনে একটি পরিবার চালানো সম্ভব নয়। এছাড়া সন্তানদের লেখাপড়া ও চিকিৎসার খরচ বহন করাও অসম্ভব। তাই আমাদের দাবি, সর্বনিম্ন মজুরি ৩০ হাজার টাকা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হলে শ্রমিকদের সঙ্গে বৈষম্যহীন আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। জুলাই বিপ্লবে শ্রমিকরাও অংশ নিয়েছেন। তাদের অধিকার, ন্যায্য মজুরি ও জীবনমান নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বাধ্যতামূলক রেশনিং ব্যবস্থা চালুর জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান
শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি ৩০ হাজার টাকা করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান।
শনিবার সকালে ঝিনাইদহ শিশু একাডেমিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ‘দায়িত্বশীল সম্মেলন’ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ২০২৩ সালে শিল্পখাতের শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়। তখন থেকেই আমরা বলে আসছি, শ্রমিকদের সঙ্গে বৈষম্য করা হয়েছে। আমরা তখন থেকেই দাবি করে আসছি, কমপক্ষে ৩০ হাজার টাকা মজুরি নির্ধারণ করতে হবে।
বাংলাদেশে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও মূল্যস্ফীতির কারণে এই বেতনে একটি পরিবার চালানো সম্ভব নয়। এছাড়া সন্তানদের লেখাপড়া ও চিকিৎসার খরচ বহন করাও অসম্ভব। তাই আমাদের দাবি, সর্বনিম্ন মজুরি ৩০ হাজার টাকা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হলে শ্রমিকদের সঙ্গে বৈষম্যহীন আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। জুলাই বিপ্লবে শ্রমিকরাও অংশ নিয়েছেন। তাদের অধিকার, ন্যায্য মজুরি ও জীবনমান নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বাধ্যতামূলক রেশনিং ব্যবস্থা চালুর জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ঝিনাইদহ জেলা শাখার সভাপতি হারুন-উর-রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক আক্তারুজ্জামান এবং ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমির ও ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবু বকর। সম্মেলনে জেলার ৬টি উপজেলা ও ৬৭টি ইউনিয়নের শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?