শ্রীলঙ্কার কারাগারে বন্দিদের তাণ্ডব, নিহত ২৩
শ্রীলঙ্কার একটি কারাগারে বন্দিদের দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছেন। এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও শতাধিক মানুষ। রাজধানী কলম্বো থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তরে মিয়ানমারে অবস্থিত নেগোম্বো কারাগারে এই সহিংসতা ঘটে। গত রোববার (৬ জুলাই) এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সোমবারও কারাগারের ভেতরে উত্তেজনা ও সহিংসতা চলে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম ও পুলিশ। শ্রীলঙ্কার ডেরানা টিভির ফুটেজে দেখা গেছে, নেগোম্বো কারাগারের বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কারাগারের ভেতর থেকে আহত বন্দিদের নিয়ে একটি পুলিশ বাসকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। বাসের মেঝেতে অনেক বন্দি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ৪ কারারক্ষী নেগোম্বো হাসপাতালের একটি সূত্র জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত ১৬ জন কারাবন্দি এবং ৪ জন কারারক্ষী রয়েছেন। সহিংসতা এতটাই তীব্র ছিল যে রক্ষীরাও নিজেদের বাঁচাতে পারেননি। বার্তা সংস্থা এএফপিকে নেগোম্বো হাসপাতালের পরিচালক পুষ্প গামলাথ বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত ২৩টি মরদেহ গ্রহণ করেছে। এ ছাড়া ১০০ জনেরও বেশি আহত বন্দি ও কারারক্ষীকে চিকিৎসা
শ্রীলঙ্কার একটি কারাগারে বন্দিদের দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছেন। এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও শতাধিক মানুষ।
রাজধানী কলম্বো থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তরে মিয়ানমারে অবস্থিত নেগোম্বো কারাগারে এই সহিংসতা ঘটে। গত রোববার (৬ জুলাই) এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সোমবারও কারাগারের ভেতরে উত্তেজনা ও সহিংসতা চলে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম ও পুলিশ।
শ্রীলঙ্কার ডেরানা টিভির ফুটেজে দেখা গেছে, নেগোম্বো কারাগারের বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কারাগারের ভেতর থেকে আহত বন্দিদের নিয়ে একটি পুলিশ বাসকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। বাসের মেঝেতে অনেক বন্দি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ৪ কারারক্ষী
নেগোম্বো হাসপাতালের একটি সূত্র জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত ১৬ জন কারাবন্দি এবং ৪ জন কারারক্ষী রয়েছেন। সহিংসতা এতটাই তীব্র ছিল যে রক্ষীরাও নিজেদের বাঁচাতে পারেননি।
বার্তা সংস্থা এএফপিকে নেগোম্বো হাসপাতালের পরিচালক পুষ্প গামলাথ বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত ২৩টি মরদেহ গ্রহণ করেছে। এ ছাড়া ১০০ জনেরও বেশি আহত বন্দি ও কারারক্ষীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
দুই প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের সংঘাত
পুলিশের মুখপাত্র চন্দনা হেরাথ কারাগারে সংঘর্ষ এবং প্রাণহানির তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে ঘটনার বিস্তারিত কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি কিছু জানাননি। পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
নেগোম্বো থেকে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিনিধি মিনেলে ফার্নান্দেজ জানান, কারা কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি এখন ‘নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে’ বলে দাবি করেছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, কারাগারের ভেতরে থাকা দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী বা শত্রু গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। কারাগারের ভেতরের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখাকে কেন্দ্র করেই এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
কেএএ/
What's Your Reaction?