ষড়যন্ত্র হতে পারে, ভোটের বাক্স পাহাড়া দিতে হবে: তারেক রহমান

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করাই বিএনপির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র হতে পারে, তাই শুধু সকালবেলায় ভোট কেন্দ্রে গেলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যাবে না। ভোটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাড়িতে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোট কেন্দ্রে এসে জামাতে ফজরের নামাজ আদায় করে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে হবে এবং ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভোটের বাক্স পাহারা দিতে হবে। রোববার রাত পৌনে ১১টায় কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার ফুলতলী মাঠে বিএনপির আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রায় ২৩ মিনিটের বক্তব্যে তারেক রহমান খাল খনন, বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবায় হেলথ কার্ড চালুসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিএনপির লক্ষ্য জনগণের উন্নয়ন এবং তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। মুক্তিযুদ্ধ ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। সেই স্বাধীনতা রক্ষার জন্য ২০২৪ সালে

ষড়যন্ত্র হতে পারে, ভোটের বাক্স পাহাড়া দিতে হবে: তারেক রহমান

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করাই বিএনপির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র হতে পারে, তাই শুধু সকালবেলায় ভোট কেন্দ্রে গেলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যাবে না। ভোটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাড়িতে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোট কেন্দ্রে এসে জামাতে ফজরের নামাজ আদায় করে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে হবে এবং ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভোটের বাক্স পাহারা দিতে হবে।

রোববার রাত পৌনে ১১টায় কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার ফুলতলী মাঠে বিএনপির আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রায় ২৩ মিনিটের বক্তব্যে তারেক রহমান খাল খনন, বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবায় হেলথ কার্ড চালুসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিএনপির লক্ষ্য জনগণের উন্নয়ন এবং তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করা।

মুক্তিযুদ্ধ ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। সেই স্বাধীনতা রক্ষার জন্য ২০২৪ সালেও মানুষ জীবন দিয়েছে। তিনি দাবি করেন, এই সংগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ৪১৯ জন নেতা-কর্মী শহীদ হয়েছেন এবং এর বাইরে সহস্রাধিক মানুষ প্রাণ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘জুলাই যোদ্ধারা আমাদের স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছে।’

বিএনপির অতীত শাসনামলের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে নারীদের জন্য ফ্রি শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল, বহু কৃষকের ঋণ মওকুফ করা হয়েছিল। বিএনপি দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে জানে এবং শিক্ষার্থী ও তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির অভিজ্ঞতা তাদের রয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা সেই অভিজ্ঞতা ও পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যাব এবং মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করব।”

অন্যান্য রাজনৈতিক দলকে আক্রমণ না করে উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরার কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি মানুষের সামনে দেখাতে চায় কীভাবে উন্নয়ন করতে হয়। তিনি বলেন, ৫ আগস্ট দেশের মানুষ যে আশা নিয়ে পরিবর্তন এনেছিল, সেই লক্ষ্যেই দেশকে স্বনির্ভর করতে এবং জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিএনপিকে ভোট দিতে হবে। তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপি প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান।

সমাবেশে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের খেটে খাওয়া মানুষ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির ভালো কাজেরও সমালোচনা করা হয়। দলের নির্বাচনী স্লোগান স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ।’

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও কুমিল্লা-৬ আসনের প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী, উপদেষ্টা আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা-৭ আসনের প্রার্থী ড. রেদোয়ান আহমেদ, চাঁদপুর-১ আসনের প্রার্থী এহসানুল হক মিলন, চাঁদপুর সদর আসনের ফরিদ উদ্দিন মানিক, চাঁদপুর-৫ আসনের হারুনুর রশিদ, কুমিল্লা-১০ আসনের প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম ভূঁইয়া, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপুসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow