সংকটে ন্যাশনাল ব্যাংক, নিজস্ব ভবনের একাংশ ভাড়া দেওয়ার অনুমতি
আর্থিক সংকটে থাকা ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসিকে নিজস্ব ভবনের একটি অংশ ভাড়া দিয়ে আয় করার বিশেষ সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিধিনিষেধ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির মালিকানাধীন ‘এনবিএল টুইন টাওয়ার’-এর টাওয়ার-২ বাণিজ্যিকভাবে ইজারা দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১২১ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রস্তাবিত প্রধান কার্যালয় ভবন ‘এনবিএল টুইন টাওয়ার’-এর টাওয়ার-২ বাণিজ্যিক স্থাপনা হিসেবে ইজারা দেওয়া যাবে। এ উদ্দেশ্যে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১০ ধারার বিধান থেকে ব্যাংকটিকে ২০৩১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন মানুষের হাতে বাড়ছে নগদ টাকা, তারল্য ও ঋণপ্রবাহে বাড়তে পারে চাপ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, দীর্ঘদিনের অনিয়ম, দুর্নীতি ও আর্থিক দুর্বলতার কারণে ন্যাশনাল ব্যাংক চরম সংকটে রয়েছে। আমানতকারীদের অর্থ পরিশোধেও ব্যাংকটি চাপে আছে। এ অবস্থায় নিজস্ব ভবনের একটি অং
আর্থিক সংকটে থাকা ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসিকে নিজস্ব ভবনের একটি অংশ ভাড়া দিয়ে আয় করার বিশেষ সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিধিনিষেধ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির মালিকানাধীন ‘এনবিএল টুইন টাওয়ার’-এর টাওয়ার-২ বাণিজ্যিকভাবে ইজারা দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১২১ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রস্তাবিত প্রধান কার্যালয় ভবন ‘এনবিএল টুইন টাওয়ার’-এর টাওয়ার-২ বাণিজ্যিক স্থাপনা হিসেবে ইজারা দেওয়া যাবে। এ উদ্দেশ্যে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১০ ধারার বিধান থেকে ব্যাংকটিকে ২০৩১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, দীর্ঘদিনের অনিয়ম, দুর্নীতি ও আর্থিক দুর্বলতার কারণে ন্যাশনাল ব্যাংক চরম সংকটে রয়েছে। আমানতকারীদের অর্থ পরিশোধেও ব্যাংকটি চাপে আছে। এ অবস্থায় নিজস্ব ভবনের একটি অংশ ভাড়া দিয়ে অতিরিক্ত আয় করতে পারলে ব্যাংকটির আর্থিক অবস্থার উন্নতিতে কিছুটা সহায়ক হবে বলেই এ বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ন্যাশনাল ব্যাংকের মোট ঋণ ৪২ হাজার ৭৯৫ কোটি টাকার মধ্যে ২৪ হাজার ৩০৫ কোটি টাকা খেলাপি, যা মোট ঋণের প্রায় ৫৭ শতাংশ। বিগত সময়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে ব্যাংকটির আর্থিক পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে অবনতির দিকে যায়।
ইএআর/একিউএফ
What's Your Reaction?
