সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় সাবেক ছাত্রদল নেত্রী মৌসুমী

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে সরকারি দল বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে চলছে আলোচনা। এক্ষেত্রে মহিলা দলের পাশাপাশি অতীতে ছাত্রদল করা নেত্রীরা এগিয়ে আছেন। তাদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেত্রী মৌসুমী নাছরিন। ঝিনাইদহ থেকে সংরক্ষিত আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী। মৌসুমী নাছরিন বর্তমানে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি ৩ দশকের রাজনৈতিক জীবনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, মহিলা দল ও বিএনপির বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৯৫ সালে ঝিনাইদহ কলেজে অধ্যায়নকালে মৌসুমী নাছরিনের রাজনীতির হাতেখড়ি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে। কলেজ কমিটির ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন তিনি। ১৯৯৯ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মন্নুজান হল ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। পরে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সদস্য হিসেবে সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু-আলীম কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর রাজীব-আকরাম কমিটিতে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন মৌসুমী নাছরিন। এরপর

সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় সাবেক ছাত্রদল নেত্রী মৌসুমী

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে সরকারি দল বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে চলছে আলোচনা। এক্ষেত্রে মহিলা দলের পাশাপাশি অতীতে ছাত্রদল করা নেত্রীরা এগিয়ে আছেন। তাদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেত্রী মৌসুমী নাছরিন। ঝিনাইদহ থেকে সংরক্ষিত আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী।

মৌসুমী নাছরিন বর্তমানে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি ৩ দশকের রাজনৈতিক জীবনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, মহিলা দল ও বিএনপির বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৯৫ সালে ঝিনাইদহ কলেজে অধ্যায়নকালে মৌসুমী নাছরিনের রাজনীতির হাতেখড়ি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে। কলেজ কমিটির ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন তিনি।

১৯৯৯ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মন্নুজান হল ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। পরে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সদস্য হিসেবে সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু-আলীম কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর রাজীব-আকরাম কমিটিতে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন মৌসুমী নাছরিন। এরপর ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সদস্য পদে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত সরকারের সময় দলের দুর্দিনে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন।

মৌসুমী নাছরিনকে নিয়ে ঝিনাইদহে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ছাত্রদলের সাবেক এই নেত্রী নারী অধিকার, সামাজিক ‎উন্নয়নে কাজ করে আসছেন। কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজ এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

মৌসুমী নাছরিনকে সংরক্ষিত আসন থেকে এমপি মনোনীত করতে জোর দাবি জানিয়েছেন ঝিনাইদহের সর্বস্তরের মানুষ।

মৌসুমী নাছরিন বলেন, ‘ছাত্রজীবন থেকেই শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্বে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। আজীবন দলের জন্য কাজ করেছি। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব নিয়েছি। দলের ক্রান্তিকাল এবং জিয়া পরিবারের দুঃসময়ে মাঠে থেকে লড়াই–সংগ্রাম করেছি। আশা করছি, দল আমাকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেবে। নির্বাচিত হলে ঝিনাইদহের উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে কাজ করব।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে বিএনপি এবার ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে। নির্বাচন কমিশনের তপশিল অনুযায়ী দলীয় মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হবে। সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তারিখ ও তপশিল নির্ধারণে আগামী ৬ এপ্রিল সোমবার সভায় বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ওই দিনই নির্বাচনের বিস্তারিত সময়সূচি ঘোষণা করা হতে পারে বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow