সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৬ এপ্রিল 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের জন্য চূড়ান্ত ভোটার তালিকা আগামী ৬ এপ্রিল প্রকাশ করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোববার (২৯ মার্চ) ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান। সূত্র জানান, আগামী ৬ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচন যেকোনো দিন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী, সংসদে অন্তর্ভুক্ত সদস্যদের মোট আসন সংখ্যার আনুপাতিক হার অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল ও জোটের অনুকূলে সংরক্ষিত মহিলা আসন বণ্টন করা হয়। এরপর ইসি সচিবালয় রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ এবং ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করে। পরবর্তীতে ইসির বৈঠকে অনুমোদনের পর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। দল ও জোটগুলো তাদের বরাদ্দকৃত আসনের সমান সংখ্যক প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। ফলে অনেক সময় প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি পেয়েছে ২০৯টি আসন, জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি ৬টি। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস পেয়েছে ২টি আসন। ইসলাম

সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৬ এপ্রিল 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের জন্য চূড়ান্ত ভোটার তালিকা আগামী ৬ এপ্রিল প্রকাশ করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

রোববার (২৯ মার্চ) ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান।

সূত্র জানান, আগামী ৬ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচন যেকোনো দিন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।

জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী, সংসদে অন্তর্ভুক্ত সদস্যদের মোট আসন সংখ্যার আনুপাতিক হার অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল ও জোটের অনুকূলে সংরক্ষিত মহিলা আসন বণ্টন করা হয়। এরপর ইসি সচিবালয় রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ এবং ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করে। পরবর্তীতে ইসির বৈঠকে অনুমোদনের পর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। দল ও জোটগুলো তাদের বরাদ্দকৃত আসনের সমান সংখ্যক প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। ফলে অনেক সময় প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি পেয়েছে ২০৯টি আসন, জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি ৬টি। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস পেয়েছে ২টি আসন। ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণসংহতি আন্দোলন—প্রতিটি দল পেয়েছে ১টি করে আসন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৭টি আসন।

আদালতের আদেশে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত থাকায় এখন পর্যন্ত ২৯৭ আসনের ফল প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। এরই মধ্যে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ায় সংসদে দলটির প্রতিনিধি সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০৮ জনে।

জাতীয় সংসদের নারী আসনের নির্বাচনের আইন অনুযায়ী, ৩৫টি আসন পাবে। বাংলাদেশ জামায়াতে ১১ টি আসন পাবে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১টি আসন পাবে (যদি জোট করে) । জাতীয় নাগরিক পার্টি পাবে ১টি আসন। অন্য ছোট দলগুলো নিজেদের মধ্যে জোট না করলে কোনো আসন পাবে না। তবে জোট করলে পাবে ১টি আসন। এক্ষেত্রে বিএনপির আরো একটি আসন বেড়ে দাঁড়াবে ৩৬টি। আবার জোটগত ভাবে যদি নির্বাচন করে তাহলে বিএনপি ৩৫ টি আসনই পাবে। তবে জামায়াতের দুটি আসন বৃদ্ধি পেয়ে ১৩ টি হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow