সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ পাস চায় তরুণরা
তরুণ প্রজন্মের সুরক্ষায় সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫ দ্রুত আইন আকারে পাসের দাবি জানিয়েছে তরুণরা। তাদের মতে, তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করতে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে অধ্যাদেশটি পাস করা জরুরি। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়। সমাবেশের আয়োজন করে আহছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং। এতে অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সমাবেশে বক্তারা জানান, দেশে ১৫ বছরের বেশি বয়সী জনগোষ্ঠীর ৩৯ দশমিক ১ শতাংশ ধূমপায়ী এবং ১৫ বছরের নিচে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ শিশুও তামাক ব্যবহার করছে। প্রতিবছর তামাকজনিত রোগে দেশে প্রায় দুই লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু হয় বলে উল্লেখ করেন তারা। তরুণ বক্তারা বলেন, সংশোধিত অধ্যাদেশে সব পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে ধূমপান নিষিদ্ধ, স্মোকিং জোন বাতিল, হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্টস (এইচটিপি)সহ উদীয়মান তামাকজাত পণ্য নিষিদ্ধ এবং প্রথমবারের মতো নিকোটিন পাউচকে তামাকজাত দ্
তরুণ প্রজন্মের সুরক্ষায় সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫ দ্রুত আইন আকারে পাসের দাবি জানিয়েছে তরুণরা। তাদের মতে, তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করতে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে অধ্যাদেশটি পাস করা জরুরি।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়। সমাবেশের আয়োজন করে আহছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং।
এতে অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
সমাবেশে বক্তারা জানান, দেশে ১৫ বছরের বেশি বয়সী জনগোষ্ঠীর ৩৯ দশমিক ১ শতাংশ ধূমপায়ী এবং ১৫ বছরের নিচে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ শিশুও তামাক ব্যবহার করছে। প্রতিবছর তামাকজনিত রোগে দেশে প্রায় দুই লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু হয় বলে উল্লেখ করেন তারা।
তরুণ বক্তারা বলেন, সংশোধিত অধ্যাদেশে সব পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে ধূমপান নিষিদ্ধ, স্মোকিং জোন বাতিল, হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্টস (এইচটিপি)সহ উদীয়মান তামাকজাত পণ্য নিষিদ্ধ এবং প্রথমবারের মতো নিকোটিন পাউচকে তামাকজাত দ্রব্যের সংজ্ঞার আওতায় আনার প্রস্তাব রয়েছে। এসব বিধান কার্যকর হলে তামাক নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার হবে।
বক্তারা আরও বলেন, দেশের প্রায় ৪৮ শতাংশ জনগোষ্ঠী তরুণ। তাদের মধ্যে ৯ দশমিক ২ শতাংশ তামাক ব্যবহার করে। অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত হলে তরুণদের মধ্যে তামাক ব্যবহার ও তামাকজনিত অকাল মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতে সরকারি ব্যয় কমবে এবং পরিবেশ সুরক্ষাও নিশ্চিত হবে।
সমাবেশ থেকে আগামী সংসদ নির্বাচন–পরবর্তী সরকারকে জনস্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তরের পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোলের (এফসিটিসি) পূর্ণ বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়।
What's Your Reaction?