সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫ দ্রুত পাসের দাবি আহছানিয়া মিশনের

তামাকজনিত রোগ ও মৃত্যু কমাতে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে আইন আকারে পাসের দাবি জানিয়েছে আহছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং।   সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের কার্যালয়ে টোব্যাকো কন্ট্রোল ইয়ুথ অ্যাডভোকেটদের জন্য আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং পরবর্তী করণীয়’ শীর্ষক অবহিতকরণ ও প্লানিং কর্মশালায় উদ্ভোদধনী অনুষ্ঠানে এ দাবি জানানো হয়।  তরুণ নেতৃত্বদের তামাক নিয়ন্ত্রণের কৌশল, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নেতৃত্ব গঠনের লক্ষ্যে কর্মশালার আয়োজন করা হয়।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের মহাপরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. আখতারউজ-জামান বলেন, বাংলাদেশ সরকার ২০২৫ সালে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ’ জারি করে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই অধ্যাদেশ স্থায়িত্ব নিশ্চিতে আগামী সংসদে আইন হিসেবে পাশের মাধ্যমে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব কমানো সম্ভব হবে, তবে এর সফল বাস্তবায়নের জন্য তরুণ সমাজের সচেতনতা, দক্ষতা ও নেতৃত্ব আরও জোরদার কর

সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫ দ্রুত পাসের দাবি আহছানিয়া মিশনের

তামাকজনিত রোগ ও মৃত্যু কমাতে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে আইন আকারে পাসের দাবি জানিয়েছে আহছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং।  

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের কার্যালয়ে টোব্যাকো কন্ট্রোল ইয়ুথ অ্যাডভোকেটদের জন্য আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং পরবর্তী করণীয়’ শীর্ষক অবহিতকরণ ও প্লানিং কর্মশালায় উদ্ভোদধনী অনুষ্ঠানে এ দাবি জানানো হয়। 

তরুণ নেতৃত্বদের তামাক নিয়ন্ত্রণের কৌশল, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নেতৃত্ব গঠনের লক্ষ্যে কর্মশালার আয়োজন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের মহাপরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. আখতারউজ-জামান বলেন, বাংলাদেশ সরকার ২০২৫ সালে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ’ জারি করে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই অধ্যাদেশ স্থায়িত্ব নিশ্চিতে আগামী সংসদে আইন হিসেবে পাশের মাধ্যমে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব কমানো সম্ভব হবে, তবে এর সফল বাস্তবায়নের জন্য তরুণ সমাজের সচেতনতা, দক্ষতা ও নেতৃত্ব আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়াউল হক বলেন, টোব্যাকো অ্যাটলাস ২০২৫ অনুযায়ী প্রতিবছর তামাকজনিত কারণে বাংলাদেশে মৃত্যুরবরণ করছে প্রায় ২ লাখ মানুষ। এ সময় তিনি আগামী নির্বাচন পরবর্তী গঠিত সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অধ্যাদেশটিকে আইনে পরিণত করতে তরুণদের বিভিন্ন ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে পরামর্শ দেন। এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তর তরুণদের যেকোনো কর্মসূচিতে পাশে থাকবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। 

স্বাগত বক্তব্যে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রকল্প সমন্বয়কারী শরিফুল ইসলাম বলেন, তামাক বিরোধী তরুণ অ্যাডভোকেটরা দীর্ঘদিন থেকে সফলতার সাথে তামাকের বিরুদ্ধে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় তরুণদের তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং পরবর্তী করণীয় এবং স্পষ্টভাবে অবহিত করতে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। কারণ সঠিক জ্ঞান ও সরঞ্জাম দিয়ে প্রশিক্ষিত করার মাধ্যমে তরুণদের মাঝে তামাকের ব্যবহার কমিয়ে একটি স্বাস্থ্যকর ও তামাকমুক্ত জাতি গঠন করা সম্ভব। 

তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্য অর্জনে তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও সংগঠিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গড়ে ওঠা তরুণ নেতৃত্ব তামাক নিয়ন্ত্রণ আন্দোলনকে নতুন গতি দেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তারা পাশাপাশি, তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ-২০২৫ আগামী ত্রয়োদশ সংসদে পাশের দাবি জানান। 

ঢাকা আহছানিয়া মিশনের সহসভাপতি ড. এস এম খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কর্মশালায় পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তরুণদের তামাকের ক্ষতিকারক দিক তামাক নিয়ন্ত্রণের কৌশল, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নেতৃত্ব গঠন এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন আব্দুস সালাম, হুমায়রা সুলতানা, আহছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং এর কো-অর্ডিনেটর মারজনা মুনতাহা প্রমুখ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow