সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় ‘মাথা নিচুতে’ আপত্তি মুজিবুর রহমানের

সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় মাথা ঝুঁকিয়ে বা নিচু করে সম্মান প্রদর্শনের রীতিতে আপত্তি জানিয়েছেন জামায়াতের নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য (এমপি) মুজিবুর রহমান। মঙ্গলবার (১৬ জুন) জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে তিনি এ আপত্তি জানান।  সংসদের অধিবেশন কক্ষে প্রবেশের সময় সম্মান প্রদর্শনে স্পিকারের চেয়ারের দিকে মাথা নত করেন এমপিরা। আবার অনেকে দাঁড়িয়ে সালাম দেন। মঙ্গলবার বৈঠকের শুরুতে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে মুজিবুর রহমান বলেন, ‘১৯৮৬ সালে তৃতীয় জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধিতে সংসদে ঢোকার পর মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শন করার কথা বলা ছিল। এরপর সংশোধনী আনা হয়। মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শন ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, শিরকের পর্যায়ে চলে যায়। তাই বাদ দেওয়া হয়েছে।’ স্পিকারের উদ্দেশে মুজিবুর রহমান বলেন, ‘আমি মাঝেমধ্যে খেয়াল করি, আপনি সুন্দরভাবে সালাম দেন। আমরাও সালাম দিই, জবাব দিই। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা যায় আগের ঝোঁকার রীতি এখনো আছে। আপনারও আছে, মাননীয় ডেপুটি স্পিকারেরও আছে।’ মুজিবুর রহমান বলেন, “কার্যপ্রণালি বিধিতে ‘শিরককে উৎখাত’ করার যে বিধি হয়েছে, তা সবার মেনে চলা উচিত। এতে নেকি হবে, গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা যাব

সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় ‘মাথা নিচুতে’ আপত্তি মুজিবুর রহমানের
সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় মাথা ঝুঁকিয়ে বা নিচু করে সম্মান প্রদর্শনের রীতিতে আপত্তি জানিয়েছেন জামায়াতের নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য (এমপি) মুজিবুর রহমান। মঙ্গলবার (১৬ জুন) জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে তিনি এ আপত্তি জানান।  সংসদের অধিবেশন কক্ষে প্রবেশের সময় সম্মান প্রদর্শনে স্পিকারের চেয়ারের দিকে মাথা নত করেন এমপিরা। আবার অনেকে দাঁড়িয়ে সালাম দেন। মঙ্গলবার বৈঠকের শুরুতে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে মুজিবুর রহমান বলেন, ‘১৯৮৬ সালে তৃতীয় জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধিতে সংসদে ঢোকার পর মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শন করার কথা বলা ছিল। এরপর সংশোধনী আনা হয়। মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শন ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, শিরকের পর্যায়ে চলে যায়। তাই বাদ দেওয়া হয়েছে।’ স্পিকারের উদ্দেশে মুজিবুর রহমান বলেন, ‘আমি মাঝেমধ্যে খেয়াল করি, আপনি সুন্দরভাবে সালাম দেন। আমরাও সালাম দিই, জবাব দিই। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা যায় আগের ঝোঁকার রীতি এখনো আছে। আপনারও আছে, মাননীয় ডেপুটি স্পিকারেরও আছে।’ মুজিবুর রহমান বলেন, “কার্যপ্রণালি বিধিতে ‘শিরককে উৎখাত’ করার যে বিধি হয়েছে, তা সবার মেনে চলা উচিত। এতে নেকি হবে, গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা যাবে। কাল-কেয়ামতে এটা থেকে আমরা উপকার লাভ করব।’ এরপর স্পিকার জানান, তিনি কার্যপ্রণালি বিধি দেখে এ বিষয়ে জানাবেন। তবে এটা সবার জন্য ব্যক্তিগত বিষয়। কেউ সালাম দেবে, কেউ মাথা ঝোঁকাবে। সারা পৃথিবীর সংসদে এরকম আছে। এরপরও বিগত সংসদে এটা বাতিল করা হয়েছে কি না তা তিনি দেখবেন বলে জানান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow