সংসদ ভেঙে দিলেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি আগাম নির্বাচনের জন্য সংসদ ভেঙে দিয়েছেন। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে নির্বাচন আয়োজন করা হবে। দেশটির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি গত সোমবারই এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছিলেন। তিনি ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় থেকে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া এবং প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানোর পদক্ষেপের পক্ষে জনসমর্থন চাইছেন। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সংসদের স্পিকার একটি চিঠি পড়ে শোনান, যার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নিম্নকক্ষ ভেঙে দেওয়া হয়। তাকাইচির লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) এবং জাপান ইনোভেশন পার্টি (জেআইপি)-এর শাসক জোট নিম্নকক্ষে মাত্র অল্প সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রেখেছে। এলডিপি নিজেই কম জনসমর্থন ও একের পর এক কেলেঙ্কারির মুখে থাকলেও তাকাইচি আশা করছেন, তার মন্ত্রিসভার প্রতি ব্যাপক জনসমর্থন তাকে আরও শক্তিশালী রাজনৈতিক ম্যান্ডেট এনে দেবে। ত্সুকুবা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি অধ্যাপক হিদেহিরো ইয়ামামোতো বলেন,তাকাইচি মন্ত্রিসভার প্রতি উচ্চ জনসমর্থন এলডিপির প্রতি সমর্থনে রূপ নেবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। তিনি বলেন, মানুষের প্রধান উদ্বেগ হলো মূল্যস্ফীতি মোকাবিলার পদক্ষেপ। শুক্রবার প্রকাশ

সংসদ ভেঙে দিলেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি আগাম নির্বাচনের জন্য সংসদ ভেঙে দিয়েছেন। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে নির্বাচন আয়োজন করা হবে।

দেশটির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি গত সোমবারই এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছিলেন। তিনি ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় থেকে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া এবং প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানোর পদক্ষেপের পক্ষে জনসমর্থন চাইছেন।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সংসদের স্পিকার একটি চিঠি পড়ে শোনান, যার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নিম্নকক্ষ ভেঙে দেওয়া হয়।

তাকাইচির লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) এবং জাপান ইনোভেশন পার্টি (জেআইপি)-এর শাসক জোট নিম্নকক্ষে মাত্র অল্প সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রেখেছে।

এলডিপি নিজেই কম জনসমর্থন ও একের পর এক কেলেঙ্কারির মুখে থাকলেও তাকাইচি আশা করছেন, তার মন্ত্রিসভার প্রতি ব্যাপক জনসমর্থন তাকে আরও শক্তিশালী রাজনৈতিক ম্যান্ডেট এনে দেবে।

ত্সুকুবা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি অধ্যাপক হিদেহিরো ইয়ামামোতো বলেন,
তাকাইচি মন্ত্রিসভার প্রতি উচ্চ জনসমর্থন এলডিপির প্রতি সমর্থনে রূপ নেবে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

তিনি বলেন, মানুষের প্রধান উদ্বেগ হলো মূল্যস্ফীতি মোকাবিলার পদক্ষেপ।

শুক্রবার প্রকাশিত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যে দেখা গেছে, ডিসেম্বরে জাপানের মূল্যস্ফীতির হার কমেছে। এর প্রধান কারণ বিদ্যুৎ ও গ্যাসে সরকারি ভর্তুকি।

মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে জনঅসন্তোষই মূলত শিগেরু ইশিবার পতনের বড় কারণ ছিল, যাকে গত অক্টোবরে সরিয়ে তাকাইচি ক্ষমতায় আসেন।

জাপান এখন বাড়তি জীবনযাত্রার খরচ ও দুর্বল ইয়েনের চাপে পড়েছে, যার ফলে আমদানিপণ্যের দাম বেড়েছে।

চাল এই পরিস্থিতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে চালের দাম আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছিল, যদিও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কিছুটা কমেছে।

সরকারি তথ্যে দেখা গেছে, ডিসেম্বরে চালের দাম গত বছরের তুলনায় ৩৪ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে।

সূত্র: এএফপি

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow