সকালের নাশতা বাদ দিলে যা হতে পারে

ব্যস্ত জীবনে অনেকেই সকালে তাড়াহুড়োর কারণে না খেয়েই বাইরে বেরিয়ে পড়েন। কেউ কেউ আবার ওজন কমানোর আশায় ইচ্ছাকৃতভাবে দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবারটি এড়িয়ে চলেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। শক্তির ঘাটতি হয় সকালে নাশতা না করলে শরীরে প্রয়োজনীয় জ্বালানি মেলে না, ফলে দ্রুত ক্লান্তি ও দুর্বলতা দেখা দেয়। পুষ্টিবিদরা বলছেন, তিন বেলার মধ্যে সকালের খাবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দিনের শুরুতেই কর্মক্ষমতা এবং মনোযোগ বাড়ায়। মেজাজ খারাপ হয় খালি পেটে কাজ শুরু করলে অনেক সময় রাগ, অস্থিরতা ও মনোযোগে ঘাটতি দেখা যায়। ক্ষুধা মস্তিষ্কে চাপ সৃষ্টি করে। বিপরীতে, নিয়মিত নাশতা মন ভালো রাখতে সহায়ক ‘সেরোটোনিন’ হরমোন নিঃসরণে সাহায্য করে। দিনভর অতিরিক্ত ক্ষুধা সকালের খাবার বাদ দিলে সারা দিনে ক্ষুধা বাড়ে এবং অনেক সময় অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া হয় বেশি পরিমাণে, যা ওজন কমানোর বদলে বাড়িয়ে দেয়। হরমোনে অসামঞ্জস্য নাশতা না করলে কর্টিসল নামক স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যায়। এর ফলে মানসিক চাপ ও বিপাকজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রোটিনসমৃদ্ধ নাশতা হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা কর

সকালের নাশতা বাদ দিলে যা হতে পারে
ব্যস্ত জীবনে অনেকেই সকালে তাড়াহুড়োর কারণে না খেয়েই বাইরে বেরিয়ে পড়েন। কেউ কেউ আবার ওজন কমানোর আশায় ইচ্ছাকৃতভাবে দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবারটি এড়িয়ে চলেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। শক্তির ঘাটতি হয় সকালে নাশতা না করলে শরীরে প্রয়োজনীয় জ্বালানি মেলে না, ফলে দ্রুত ক্লান্তি ও দুর্বলতা দেখা দেয়। পুষ্টিবিদরা বলছেন, তিন বেলার মধ্যে সকালের খাবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দিনের শুরুতেই কর্মক্ষমতা এবং মনোযোগ বাড়ায়। মেজাজ খারাপ হয় খালি পেটে কাজ শুরু করলে অনেক সময় রাগ, অস্থিরতা ও মনোযোগে ঘাটতি দেখা যায়। ক্ষুধা মস্তিষ্কে চাপ সৃষ্টি করে। বিপরীতে, নিয়মিত নাশতা মন ভালো রাখতে সহায়ক ‘সেরোটোনিন’ হরমোন নিঃসরণে সাহায্য করে। দিনভর অতিরিক্ত ক্ষুধা সকালের খাবার বাদ দিলে সারা দিনে ক্ষুধা বাড়ে এবং অনেক সময় অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া হয় বেশি পরিমাণে, যা ওজন কমানোর বদলে বাড়িয়ে দেয়। হরমোনে অসামঞ্জস্য নাশতা না করলে কর্টিসল নামক স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যায়। এর ফলে মানসিক চাপ ও বিপাকজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রোটিনসমৃদ্ধ নাশতা হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করে। রোগপ্রতিরোধ কমে পুষ্টিকর নাশতা শরীরকে ভাইরাস ও জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। নিয়মিত নাশতা না করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। সমাধান কী? সময় স্বল্পতায় পুরো নাশতা না পারলেও ডিম, ওটস, দই, ফল বা বাদাম খাওয়া যেতে পারে- যা দ্রুত তৈরি হয় এবং শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগায়। সকালের নাশতা শুধু পেট ভরায় না, এটি শরীর ও মনকে চাঙা রাখে। তাই যতই ব্যস্ত থাকুন না কেন, এই অভ্যাসটি গড়ুন। সূত্র  : ইটিংওয়েল

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow