সঞ্চয়পত্রে দ্বিগুণ কর, মধ্যবিত্তের জন্য দুঃসংবাদ
সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর অগ্রিম করের হার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন অর্থবিলে এই প্রস্তাব পাস হলে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা উত্তোলনের সময় দ্বিগুণ হারে কর কেটে রাখা হবে, ফলে বিনিয়োগকারীদের হাতে নগদ অর্থ কমে যাবে। জাতীয় সংসদে উত্থাপিত অর্থবিল ২০২৬–এ আয়কর আইনের ১৬৩ ধারা সংশোধনের মাধ্যমে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। এতে আগে যে ৫ শতাংশ উৎসে কর চূড়ান্ত কর হিসেবে গণ্য হতো, সেই ব্যবস্থাও বাতিল করা হয়েছে। এখন এটি অগ্রিম কর হিসেবে গণ্য হবে এবং বছর শেষে আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী সমন্বয়ের সুযোগ থাকবে। এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, করদাতারা রিটার্ন জমা দেওয়ার পর যদি দেখা যায় অতিরিক্ত কর কেটে রাখা হয়েছে, তবে তা ফেরত পাওয়া যাবে। তবে যাদের টিআইএন নেই বা যারা রিটার্ন জমা দেন না, তাদের ক্ষেত্রে কাটা করই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সিদ্ধান্তে মধ্যবিত্ত ও পেনশনভোগীদের ওপর আর্থিক চাপ বাড়বে, কারণ অনেকেই দৈনন্দিন খরচের জন্য সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর নির্ভর করেন। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়, আগে যেখানে প্রতি এক লাখ টাকায় প্রায় ৯৪৫ টাকা পাওয়া যেত, এখন তা ৯০০ টাকার নিচে নেমে আসবে। অর্থনীতিবিদ এম.
সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর অগ্রিম করের হার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন অর্থবিলে এই প্রস্তাব পাস হলে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা উত্তোলনের সময় দ্বিগুণ হারে কর কেটে রাখা হবে, ফলে বিনিয়োগকারীদের হাতে নগদ অর্থ কমে যাবে।
জাতীয় সংসদে উত্থাপিত অর্থবিল ২০২৬–এ আয়কর আইনের ১৬৩ ধারা সংশোধনের মাধ্যমে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। এতে আগে যে ৫ শতাংশ উৎসে কর চূড়ান্ত কর হিসেবে গণ্য হতো, সেই ব্যবস্থাও বাতিল করা হয়েছে। এখন এটি অগ্রিম কর হিসেবে গণ্য হবে এবং বছর শেষে আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী সমন্বয়ের সুযোগ থাকবে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, করদাতারা রিটার্ন জমা দেওয়ার পর যদি দেখা যায় অতিরিক্ত কর কেটে রাখা হয়েছে, তবে তা ফেরত পাওয়া যাবে। তবে যাদের টিআইএন নেই বা যারা রিটার্ন জমা দেন না, তাদের ক্ষেত্রে কাটা করই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সিদ্ধান্তে মধ্যবিত্ত ও পেনশনভোগীদের ওপর আর্থিক চাপ বাড়বে, কারণ অনেকেই দৈনন্দিন খরচের জন্য সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর নির্ভর করেন। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়, আগে যেখানে প্রতি এক লাখ টাকায় প্রায় ৯৪৫ টাকা পাওয়া যেত, এখন তা ৯০০ টাকার নিচে নেমে আসবে।
অর্থনীতিবিদ এম. মাসরুর রিয়াজ মনে করেন, এই পরিবর্তনে মধ্যবিত্ত শ্রেণির ওপর চাপ বাড়বে এবং করহার পুনর্বিবেচনা করে কিছুটা স্বস্তি দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
তবে বাজেট–পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জমান মজুমদার দাবি করেছেন, সঞ্চয়পত্রে বড় ধরনের নতুন কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
What's Your Reaction?