সতীর্থদের আচরণে ক্ষুব্ধ রাবিও, ‘যা দেখেছি, তা মেনে নেওয়া যায় না’

বিশ্বকাপে শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার পর অন্তত তৃতীয় স্থান নিয়ে আসর শেষ করার লক্ষ্য ছিল ফ্রান্সের। কিন্তু ইংল্যান্ডের কাছে ৬-৪ গোলের নাটকীয় হারের পর মাঠের পারফরম্যান্সের চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে দলের ভেতরের পরিস্থিতি। ম্যাচ শেষে মিডফিল্ডার আদ্রিয়েন রাবিও সতীর্থদের আচরণ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। একই সঙ্গে কোচ দিদিয়ের দেশমও স্বীকার করেছেন, প্রথমার্ধে দলের কিছু খেলোয়াড়ের আচরণ গ্রহণযোগ্য ছিল না। বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে ৬-৪ গোলে হারের পর ফ্রান্সের মিডফিল্ডার আদ্রিয়েন রাবিও দলের কয়েকজন খেলোয়াড়ের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন। যদিও তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি, তবে জানিয়েছেন প্রথমার্ধে যা দেখেছেন, তা তার কাছে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য ছিল। ম্যাচের প্রথমার্ধেই ইংল্যান্ড ৪-০ গোলে এগিয়ে যায়। বিরতিতে ড্রেসিংরুমে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান কোচ দিদিয়ের দেশম। দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্স দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে একসময় ব্যবধান কমিয়ে ৪-৩ করে ফেললেও শেষ পর্যন্ত ৬-৪ গোলের হার এড়াতে পারেনি। ম্যাচ শেষে মিয়ামিতে রাবিও বলেন, ‘প্রথমার্ধে আমরা সত্যিই লজ্জাজনক ফুটবল খেলেছি। কিছু খেলোয়াড়ের

সতীর্থদের আচরণে ক্ষুব্ধ রাবিও, ‘যা দেখেছি, তা মেনে নেওয়া যায় না’

বিশ্বকাপে শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার পর অন্তত তৃতীয় স্থান নিয়ে আসর শেষ করার লক্ষ্য ছিল ফ্রান্সের। কিন্তু ইংল্যান্ডের কাছে ৬-৪ গোলের নাটকীয় হারের পর মাঠের পারফরম্যান্সের চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে দলের ভেতরের পরিস্থিতি। ম্যাচ শেষে মিডফিল্ডার আদ্রিয়েন রাবিও সতীর্থদের আচরণ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। একই সঙ্গে কোচ দিদিয়ের দেশমও স্বীকার করেছেন, প্রথমার্ধে দলের কিছু খেলোয়াড়ের আচরণ গ্রহণযোগ্য ছিল না।

বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে ৬-৪ গোলে হারের পর ফ্রান্সের মিডফিল্ডার আদ্রিয়েন রাবিও দলের কয়েকজন খেলোয়াড়ের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন। যদিও তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি, তবে জানিয়েছেন প্রথমার্ধে যা দেখেছেন, তা তার কাছে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য ছিল।

ম্যাচের প্রথমার্ধেই ইংল্যান্ড ৪-০ গোলে এগিয়ে যায়। বিরতিতে ড্রেসিংরুমে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান কোচ দিদিয়ের দেশম। দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্স দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে একসময় ব্যবধান কমিয়ে ৪-৩ করে ফেললেও শেষ পর্যন্ত ৬-৪ গোলের হার এড়াতে পারেনি।

ম্যাচ শেষে মিয়ামিতে রাবিও বলেন, ‘প্রথমার্ধে আমরা সত্যিই লজ্জাজনক ফুটবল খেলেছি। কিছু খেলোয়াড়ের এমন আচরণ দেখেছি, যা আগে কখনও দেখিনি। বিষয়টি হতাশাজনক, কারণ এটি ছিল এই টুর্নামেন্টে সম্মানের সঙ্গে শেষ করার শেষ সুযোগ।’

স্পেনের কাছে সেমিফাইনালে হারের হতাশা থাকলেও সেটিকে অজুহাত হিসেবে মানতে নারাজ এই ফরাসি মিডফিল্ডার, ‘স্পেনের কাছে হারের হতাশা অবশ্যই ছিল। কিন্তু তাই বলে শেষ ম্যাচে দায়িত্বহীনভাবে খেলা যায় না। বিরতিতে আমরা নিজেদের বলেছিলাম, আমাদের আরও আত্মসম্মান দেখাতে হবে। দ্বিতীয়ার্ধে দল অনেক ভালো খেলেছে, কারণ প্রথমার্ধে কিছু খেলোয়াড়ের আচরণ একেবারেই গ্রহণযোগ্য ছিল না।’

প্রথমার্ধের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর বিরতিতে চারটি পরিবর্তন আনেন কোচ দেশম। বেঞ্চে থাকা ব্র্যাডলি বারকোলা, উসমান দেম্বেলে, দায়ো উপামেকানো ও লুকা দিনেকে মাঠে নামান তিনি। মাঠ ছাড়েন রায়ান শেরকি, দেজিরে দুয়ে, থিও হার্নান্দেজ ও ইব্রাহিমা কোনাতে।

ম্যাচ শেষে দেশমও দলের ভেতরের পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, ‘ওয়াটার ব্রেকের সময় কিছু অস্বাভাবিক আচরণ দেখেছি। আমি কোনো নির্দিষ্ট খেলোয়াড়কে দোষ দিতে চাই না।’

শুরুর একাদশ নির্বাচন নিয়েও নিজের ভুল স্বীকার করেন ফরাসি কোচ, ‘আমি পরিবর্তন করেছি এবং খেলোয়াড়দের যা বলার ছিল, ড্রেসিংরুমেই বলে দিয়েছি। সেটা প্রকাশ্যে বলবো না। শুরুতেই ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল। যদি অন্য কিছু খেলোয়াড়কে শুরু থেকে খেলাতাম, হয়তো ফলটা ভিন্ন হতে পারতো।’

দেশম আরও বলেন, ‘আমি কাউকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে বা বিতর্ক সৃষ্টি করতে চাই না। তবে কয়েকজন খেলোয়াড় আরও ভালো খেলতে পারত, কিন্তু তা হয়নি। তারপরও আমি তাদের সবার জন্য শুভকামনা জানাই।’

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই পরাজয়ের পর শুধু হতাশাই নয়, ফ্রান্স দলের ড্রেসিংরুমের পরিবেশ নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

আরআর/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow