সনাতনী শিক্ষার্থীদের মন্দির স্থাপনের দাবিতে ছাত্রদলের সংহতি প্রকাশ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) কেন্দ্রীয় মন্দির স্থাপনের দাবিতে সনাতনী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছে শাখা ছাত্রদল। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চের পাশে প্রস্তাবিত মন্দির প্রাঙ্গণে এসে তারা সংহতি জানান। এ সময় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ধর্ম যার যার, বাংলাদেশ সবার। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল। একটি রাষ্ট্রে সব ধর্মের মানুষের সহাবস্থানের মাধ্যমেই একটি সুন্দর দেশ গড়ে ওঠে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী আগে জবিয়ান এই পরিচয়ই আমাদের ঐক্য। তিনি আরও বলেন, আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরেই একটি কেন্দ্রীয় মন্দির স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছি। তাই এই ছোট ক্যাম্পাসের যে কোনো একটি উপযুক্ত স্থানে মন্দির স্থাপনের দাবি জানাচ্ছি। চব্বিশ পরবর্তী বাংলাদেশে আমরা এমন একটি দেশ চাই, যেখানে সবাই নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করতে পারবে। এ বিষয়ে সনাতনী শিক্ষার্থীদের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫তম আবর্তনের শিক্ষার্থী অঙ্কন কর্মকার বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর আমাদের প্রথম পরিচয় আমরা

সনাতনী শিক্ষার্থীদের মন্দির স্থাপনের দাবিতে ছাত্রদলের সংহতি প্রকাশ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) কেন্দ্রীয় মন্দির স্থাপনের দাবিতে সনাতনী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছে শাখা ছাত্রদল।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চের পাশে প্রস্তাবিত মন্দির প্রাঙ্গণে এসে তারা সংহতি জানান।

এ সময় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ধর্ম যার যার, বাংলাদেশ সবার। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল। একটি রাষ্ট্রে সব ধর্মের মানুষের সহাবস্থানের মাধ্যমেই একটি সুন্দর দেশ গড়ে ওঠে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী আগে জবিয়ান এই পরিচয়ই আমাদের ঐক্য।

তিনি আরও বলেন, আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরেই একটি কেন্দ্রীয় মন্দির স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছি। তাই এই ছোট ক্যাম্পাসের যে কোনো একটি উপযুক্ত স্থানে মন্দির স্থাপনের দাবি জানাচ্ছি। চব্বিশ পরবর্তী বাংলাদেশে আমরা এমন একটি দেশ চাই, যেখানে সবাই নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করতে পারবে।

এ বিষয়ে সনাতনী শিক্ষার্থীদের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫তম আবর্তনের শিক্ষার্থী অঙ্কন কর্মকার বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর আমাদের প্রথম পরিচয় আমরা জবিয়ান। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস আন্দোলন ও সংগ্রামের ইতিহাস। কেন্দ্রীয় মন্দিরের দাবি কোনো একদিনের নয়; এটি আমরা বহুদিন ধরেই জানিয়ে আসছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা প্রশাসনের কাছে মন্দির স্থাপনের দালিলিক স্বীকৃতি চাই এবং সকল ছাত্রসংগঠনের প্রতি আহ্বান জানাই। আপনারা আমাদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করুন। যারা আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।

সংহতি কর্মসূচিতে ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ সনাতনী শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

টিএইচকিউ/এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow