সন্তানেরা পাশে নেই, বাঁশের ঝুড়িতেই বাঁচার স্বপ্ন হাসারুন বেগমের
সিলেট সদর উপজেলার ৭ং হাটখোলা ইউনিয়নের দিঘিরপাড় গ্রামের সরু কাঁচা পথ ধরে এগোলে চোখে পড়ে টিন আর বাঁশ দিয়ে তৈরি ছোট্ট একটি ঘর। সেখানেই একা বসবাস করেন হাসারুন বেগম। বয়স ৬০ ছুঁই ছুঁই। স্বামী মারা গেছেন অনেক আগেই। তিন ছেলে ও এক মেয়েকে মানুষ করতে জীবনের বড় একটা সময় পার করেছেন সংগ্রামে। এখন ছেলেরা বিয়ে করে আলাদা সংসার গড়েছে, কিন্তু মায়ের ভরণপোষণের দায়িত্ব নেয় না কেউ। জীবনের এই কঠিন সময়ে থেমে যাননি হাসারুন বেগম। সংসার চালাতে নিজের হাতের কাজকেই ভরসা করেছেন তিনি। প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে বাঁশ কেটে ও চেঁছে তৈরি করেন কুলা, ঝুড়ি, চালুনি, ও হাতপাখাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী। পরে সেগুলো স্থানীয় হাটে বিক্রি করে যা আয় হয়, তা দিয়েই কোনোমতে চলে তার জীবন। হাসারুন বেগম বলেন, ‘ছেলেদের মানুষ করতে অনেক কষ্ট করছি। এখন কেউ খবরও নেয় না। নিজের হাত আছে, তাই কাজ করে খাই। যতদিন পারব, কাজ করেই চলব। বয়স ৬২ হয় নাই তাই বয়স্ক ভাতাও পাইনা।’ স্থানীয় কয়েকজন জানান, হাসারুন বেগম একা অনেক কষ্ট করে চলেন। মেয়ের বিয়েও দিয়েছেন বিভিন্ন জায়গা থেকে সহায়তা নিয়ে। বয়স বাড়লেও জীবিকার তাগিদে এখনো প্রতিদিন বাঁশের কাজ করতে হয় তাকে
সিলেট সদর উপজেলার ৭ং হাটখোলা ইউনিয়নের দিঘিরপাড় গ্রামের সরু কাঁচা পথ ধরে এগোলে চোখে পড়ে টিন আর বাঁশ দিয়ে তৈরি ছোট্ট একটি ঘর। সেখানেই একা বসবাস করেন হাসারুন বেগম। বয়স ৬০ ছুঁই ছুঁই।
স্বামী মারা গেছেন অনেক আগেই। তিন ছেলে ও এক মেয়েকে মানুষ করতে জীবনের বড় একটা সময় পার করেছেন সংগ্রামে। এখন ছেলেরা বিয়ে করে আলাদা সংসার গড়েছে, কিন্তু মায়ের ভরণপোষণের দায়িত্ব নেয় না কেউ।
জীবনের এই কঠিন সময়ে থেমে যাননি হাসারুন বেগম। সংসার চালাতে নিজের হাতের কাজকেই ভরসা করেছেন তিনি। প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে বাঁশ কেটে ও চেঁছে তৈরি করেন কুলা, ঝুড়ি, চালুনি, ও হাতপাখাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী। পরে সেগুলো স্থানীয় হাটে বিক্রি করে যা আয় হয়, তা দিয়েই কোনোমতে চলে তার জীবন।
হাসারুন বেগম বলেন, ‘ছেলেদের মানুষ করতে অনেক কষ্ট করছি। এখন কেউ খবরও নেয় না। নিজের হাত আছে, তাই কাজ করে খাই। যতদিন পারব, কাজ করেই চলব। বয়স ৬২ হয় নাই তাই বয়স্ক ভাতাও পাইনা।’
স্থানীয় কয়েকজন জানান, হাসারুন বেগম একা অনেক কষ্ট করে চলেন। মেয়ের বিয়েও দিয়েছেন বিভিন্ন জায়গা থেকে সহায়তা নিয়ে। বয়স বাড়লেও জীবিকার তাগিদে এখনো প্রতিদিন বাঁশের কাজ করতে হয় তাকে।
প্রতিবেশী এক নারী বলেন, ‘এই বয়সেও তিনি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করেন। অসুস্থ হলেও থামার উপায় নাই। কারণ কাজ না করলে চুলা জ্বলে না।’
হাসারুন বেগমের ছোট্ট ঘরটিতে নেই তেমন কোনো আসবাব। বৃষ্টির দিনে টিনের চাল দিয়ে পানি পড়ে। তারপরও জীবনের সঙ্গে লড়াই থামাননি তিনি।
স্থানীয়দের দাবি, হাসারুন বেগমের মতো অসহায় মানুষের পাশে সমাজের বিত্তবান ও প্রশাসনের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া এই নারী যেন অন্তত শেষ বয়সে একটু স্বস্তিতে বাঁচতে পারেন এই প্রত্যাশা তাদের।
What's Your Reaction?