সপ্তমবারের মতো মনোনয়ন বাতিল, বললেন ‘আমৃত্যু চেষ্টা চালিয়ে যাবো’

যাচাই-বাছাইয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী জাহাঙ্গীরের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এ নিয়ে সপ্তমবারের মতো তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলো। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১ শতাংশ ভোটারের সইয়ে ত্রুটি থাকায় তার মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়েছে। তবে তার আপিল করার সুযোগ রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাজীপাড়া এলাকার কাজী আব্দুল হান্নান ভূঁইয়া ও আমেনা বেগম দম্পতির ৯ সন্তানের মধ্যে কাজী জাহাঙ্গীর সবার বড়। ধান বেচাকেনা আর গাভি পালন করে তার সংসার চলে। কাজী জাহাঙ্গীর বলেন, ‌‘আমার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে শুধু ১ শতাংশ ভোটারের সইয়ের কারণে। নির্বাচনে প্রার্থী হতে এসব সই আমার পক্ষে সমর্থকরা সংগ্রহ করেন। অনেক সময় মনে হয় তারা নিজেরাই সই দিয়েছে। এমন হতেই পারে। এমন নিয়ম সবসময় থাকুক আমরা তা চাই না।’ তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে সংসদ নির্বাচনে আমি সাতবার অংশ নিলাম। তবে প্রতিবার এই নিয়মের (১ শতাংশ ভোটারের সই) কারণে বাতিল হয়ে যায়। এখন যেহেতু

সপ্তমবারের মতো মনোনয়ন বাতিল, বললেন ‘আমৃত্যু চেষ্টা চালিয়ে যাবো’

যাচাই-বাছাইয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী জাহাঙ্গীরের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এ নিয়ে সপ্তমবারের মতো তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলো।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১ শতাংশ ভোটারের সইয়ে ত্রুটি থাকায় তার মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়েছে। তবে তার আপিল করার সুযোগ রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাজীপাড়া এলাকার কাজী আব্দুল হান্নান ভূঁইয়া ও আমেনা বেগম দম্পতির ৯ সন্তানের মধ্যে কাজী জাহাঙ্গীর সবার বড়। ধান বেচাকেনা আর গাভি পালন করে তার সংসার চলে।

কাজী জাহাঙ্গীর বলেন, ‌‘আমার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে শুধু ১ শতাংশ ভোটারের সইয়ের কারণে। নির্বাচনে প্রার্থী হতে এসব সই আমার পক্ষে সমর্থকরা সংগ্রহ করেন। অনেক সময় মনে হয় তারা নিজেরাই সই দিয়েছে। এমন হতেই পারে। এমন নিয়ম সবসময় থাকুক আমরা তা চাই না।’

তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে সংসদ নির্বাচনে আমি সাতবার অংশ নিলাম। তবে প্রতিবার এই নিয়মের (১ শতাংশ ভোটারের সই) কারণে বাতিল হয়ে যায়। এখন যেহেতু ইউনূস সরকার আছে, উনার কাছে দাবি জানাই নিয়মটি বাতিল করা হোক। যেন আমার মতো যেসব প্রার্থীরা আছেন, সবাই নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।’

কাজী জাহাঙ্গীর আরও বলেন, ‘নির্বাচন আমার কাছে একটা নেশা। মনোনয়ন বাতিল হলেও আমার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত যত নির্বাচন হবে, আমি অংশ নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাবো।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১৩ জন। এরমধ্যে শুক্রবার বাছাইয়ে কাজী জাহাঙ্গীরসহ চার প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

আবুল হাসনাত মো. রাফি/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow