সফরে কি সুন্নত নামাজ পড়া যাবে না?
প্রশ্ন: সফরে ফরজ নামাজ কসর করতে হয় বলে জানি, সুন্নতে মুআক্কাদা নামাজের বিধান কী? আমার এক বন্ধু বলেছে, সফরে সুন্নত নামাজ পড়া যায় না। তার এই কথা কি ঠিক? উত্তর: সফরে ফরজ নামাজ কসর করতে হয়, সুন্নত নামাজ কসর করার নিয়ম নেই। তবে সফরে সুন্নত নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে। সফরে চলন্ত পথে, তাড়াহুড়োর সময় সুন্নত নামাজ ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে, সফরসঙ্গীদের বা গাড়ির অন্যান্য যাত্রীদের কষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে ছেড়ে দেওয়াই ভালো। আর তাড়াহুড়ো বা অন্য কোনো অসুবিধা না থাকলে সফরেও সুন্নত নামাজ পড়াই উত্তম। বিশেষত ফজরের সুন্নত সফর অবস্থায়ও গুরুত্বের সঙ্গে আদায় করা উচিত। সফরে কোনো অসুবিধা না থাকলেও সুন্নত নামাজ পড়া যায় না বা পড়ার নিয়ম নেই ঢালাওভাবে এমন মনে করা ঠিক নয়। আরও পড়ুন মুসাফিরের অবস্থানের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের বিধান ইবনে জুরাইজ (রহ.) বলেন, আমি আতাকে (রহ.) জিজ্ঞাসা করলাম, আমি যখন সফরে থাকি এবং নামাজ কসর করে পড়ি, তখন কি ফরজের পূর্ববর্তী কিংবা পরবর্তী সুন্নত নামাজগুলো পড়তে পারব? তিনি বললেন, হাঁ, পারবে। আমি তো রুখসত ও সুন্নতের অনুসরণে কসর পড়ে থাকি। আর অধিক কল্যাণ লাভের আশায় সুন্নত নামাজগ
প্রশ্ন: সফরে ফরজ নামাজ কসর করতে হয় বলে জানি, সুন্নতে মুআক্কাদা নামাজের বিধান কী? আমার এক বন্ধু বলেছে, সফরে সুন্নত নামাজ পড়া যায় না। তার এই কথা কি ঠিক?
উত্তর: সফরে ফরজ নামাজ কসর করতে হয়, সুন্নত নামাজ কসর করার নিয়ম নেই। তবে সফরে সুন্নত নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে। সফরে চলন্ত পথে, তাড়াহুড়োর সময় সুন্নত নামাজ ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে, সফরসঙ্গীদের বা গাড়ির অন্যান্য যাত্রীদের কষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে ছেড়ে দেওয়াই ভালো।
আর তাড়াহুড়ো বা অন্য কোনো অসুবিধা না থাকলে সফরেও সুন্নত নামাজ পড়াই উত্তম। বিশেষত ফজরের সুন্নত সফর অবস্থায়ও গুরুত্বের সঙ্গে আদায় করা উচিত। সফরে কোনো অসুবিধা না থাকলেও সুন্নত নামাজ পড়া যায় না বা পড়ার নিয়ম নেই ঢালাওভাবে এমন মনে করা ঠিক নয়।
ইবনে জুরাইজ (রহ.) বলেন, আমি আতাকে (রহ.) জিজ্ঞাসা করলাম, আমি যখন সফরে থাকি এবং নামাজ কসর করে পড়ি, তখন কি ফরজের পূর্ববর্তী কিংবা পরবর্তী সুন্নত নামাজগুলো পড়তে পারব?
তিনি বললেন, হাঁ, পারবে। আমি তো রুখসত ও সুন্নতের অনুসরণে কসর পড়ে থাকি। আর অধিক কল্যাণ লাভের আশায় সুন্নত নামাজগুলোও পড়ে থাকি। (মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক: ৪৪৫২)
ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় তাকে মুসাফির হলো এমন ব্যক্তি যে ৪৮ মাইল (৭৭.২৩২ কিলোমিটার) রাস্তা অতিক্রম করে কোনো জায়গায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে নিজের শহর থেকে বের হয়। মুসাফির গণ্য হওয়ার জন্য সফর পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করা জরুরি নয়। সফরের নিয়তে নিজের শহর থেকে বের হয়ে এক মাইল অতিক্রম করলেও সে মুসাফির গণ্য হয়।

মুসাফির যেভাবে নামাজ আদায় করবেন
ওএফএফ
What's Your Reaction?
