সব নারী ফ্যামিলি কার্ড পাবেন: প্রধানমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ড প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ডকে আমরা ইউনিভার্সাল করেছি। অর্থাৎ সব নারী এটি পাবেন। সেটি একজন ইমাম সাহেবের স্ত্রী যেমন পাবেন, তেমনি কৃষকের স্ত্রী পাবেন, প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকের স্ত্রী পাবেন, মুদি দোকানদারের স্ত্রী পাবেন, ডিসির স্ত্রী পাবেন, এসপির স্ত্রী পাবেন, এমপির স্ত্রী পাবেন, মন্ত্রীর স্ত্রীও পাবেন। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে দিনাজপুরের গোর-এ শহীদ ময়দানে জেলা বিএনপি আয়োজিত সুধী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সব এমপি বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন। দেশের মানুষের কাছে নির্বাচনের আগে যে কথা দিয়েছিলাম, এক মাসের মধ্যে সে অনুযায়ী কাজ শুরু করেছি। দিনাজপুর কৃষি অঞ্চল, আমরা খাল খনন শুরু করেছি। কারণ পানিস্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। সে কারণে জমি আবাদে সমস্যা হচ্ছে, পানিতে আয়রন বাড়ছে। বর্ষার পানি ধরে রেখে আমরা কাজে লাগাতে চাই।’ গত ১৫-১৬ বছরে যে কাজগুলো হয়নি, আমরা সেগুলো ১৫-১৬ মাসে করতে পারবো না উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘যারা এই সরকারকে ভোট দিয়েছেন, যারা ভোট দেননি—তাদের সবার সরকার এই সরকার। আপনাদে

সব নারী ফ্যামিলি কার্ড পাবেন: প্রধানমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ড প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ডকে আমরা ইউনিভার্সাল করেছি। অর্থাৎ সব নারী এটি পাবেন। সেটি একজন ইমাম সাহেবের স্ত্রী যেমন পাবেন, তেমনি কৃষকের স্ত্রী পাবেন, প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকের স্ত্রী পাবেন, মুদি দোকানদারের স্ত্রী পাবেন, ডিসির স্ত্রী পাবেন, এসপির স্ত্রী পাবেন, এমপির স্ত্রী পাবেন, মন্ত্রীর স্ত্রীও পাবেন।

সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে দিনাজপুরের গোর-এ শহীদ ময়দানে জেলা বিএনপি আয়োজিত সুধী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সব এমপি বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন। দেশের মানুষের কাছে নির্বাচনের আগে যে কথা দিয়েছিলাম, এক মাসের মধ্যে সে অনুযায়ী কাজ শুরু করেছি। দিনাজপুর কৃষি অঞ্চল, আমরা খাল খনন শুরু করেছি। কারণ পানিস্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। সে কারণে জমি আবাদে সমস্যা হচ্ছে, পানিতে আয়রন বাড়ছে। বর্ষার পানি ধরে রেখে আমরা কাজে লাগাতে চাই।’

গত ১৫-১৬ বছরে যে কাজগুলো হয়নি, আমরা সেগুলো ১৫-১৬ মাসে করতে পারবো না উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘যারা এই সরকারকে ভোট দিয়েছেন, যারা ভোট দেননি—তাদের সবার সরকার এই সরকার। আপনাদের প্রত্যাশা নিয়ে এই সরকার কাজ করবে।’

নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‌‘আম বলেন টমেটো বলেন—এগুলো সংরক্ষণের জন্য কোল্ডস্টোরেজ বিষয় আছে। আমরা ধীরে ধীরে এগুলো করে ফেলবো।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের সময় সারাদেশ যখন ঘুরেছি, একটি কথা বেশিরভাগ বলেছেন—দীর্ঘ ১৫ বছরে দেশ যেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে, সেভাবে এগিয়ে যায়নি। কাজেই আমি আপনাদেরকে সবাইকে বলবো, দেশকে যদি এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়, তাহলে সবাই মিলে কাজ করে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমাদেরকে ধৈর্য ধরে কাজ করতে হবে।’

দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, দিনাজপুর-৪ আসনের এমপি ও জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-১ আসনের এমপি মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ আসনের এমপি সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, দিনাজপুর-৩ আসনের এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এমদাদুল হক মিলন/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow