সবচেয়ে বেশি লোডশেডিং ময়মনসিংহে, কম ঢাকায়

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় উল্লেখযোগ্য লোডশেডিং হয়েছে। সন্ধ্যার পিক আওয়ারে (রাত ৯টা) দেশের ৯টি জোনে মোট লোডশেডিং হয়েছে ৩ হাজার ৭ মেগাওয়াট। এ সময়ে এসব জোনে মোট বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৮ হাজার ১০৮ মেগাওয়াট। বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্য বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে। জোনভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চাহিদার তুলনায় সবচেয়ে বেশি লোডশেডিং হয়েছে ময়মনসিংহ জোনে। এ জোনে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১ হাজার ৬০৩ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে লোডশেডিং করা হয়েছে ৪৯০ মেগাওয়াট। অর্থাৎ ময়মনসিংহের মোট চাহিদার প্রায় ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহের বাইরে ছিল। আরও পড়ুন এই অন্ধকার সরকারের তৈরি: নাহিদ ইসলাম চাহিদার তুলনায় লোডশেডিংয়ের হারে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বরিশাল জোন। ৫৭৯ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সেখানে লোডশেডিং হয়েছে ১৫২ মেগাওয়াট, যা মোট চাহিদার প্রায় ২৬ দশমিক ৩ শতাংশ। রংপুরে ১ হাজার ২৭২ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ২৯৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে, অর্থাৎ প্রায় ২৩ দশমিক ৩ শতাংশ। সিলেটে ৮২৪ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ১৯১ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে, যা প্রায় ২৩ দশমিক ২ শতা

সবচেয়ে বেশি লোডশেডিং ময়মনসিংহে, কম ঢাকায়

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় উল্লেখযোগ্য লোডশেডিং হয়েছে। সন্ধ্যার পিক আওয়ারে (রাত ৯টা) দেশের ৯টি জোনে মোট লোডশেডিং হয়েছে ৩ হাজার ৭ মেগাওয়াট। এ সময়ে এসব জোনে মোট বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৮ হাজার ১০৮ মেগাওয়াট।

বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্য বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

জোনভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চাহিদার তুলনায় সবচেয়ে বেশি লোডশেডিং হয়েছে ময়মনসিংহ জোনে। এ জোনে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১ হাজার ৬০৩ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে লোডশেডিং করা হয়েছে ৪৯০ মেগাওয়াট। অর্থাৎ ময়মনসিংহের মোট চাহিদার প্রায় ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহের বাইরে ছিল।

চাহিদার তুলনায় লোডশেডিংয়ের হারে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বরিশাল জোন। ৫৭৯ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সেখানে লোডশেডিং হয়েছে ১৫২ মেগাওয়াট, যা মোট চাহিদার প্রায় ২৬ দশমিক ৩ শতাংশ। রংপুরে ১ হাজার ২৭২ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ২৯৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে, অর্থাৎ প্রায় ২৩ দশমিক ৩ শতাংশ। সিলেটে ৮২৪ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ১৯১ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে, যা প্রায় ২৩ দশমিক ২ শতাংশ।

এছাড়া কুমিল্লা জোনে ১ হাজার ৭৪৩ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৩৬৮ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। চাহিদার হিসাবে এটি প্রায় ২১ দশমিক ১ শতাংশ। রাজশাহীতে ১ হাজার ৮৮৬ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৩৬১ মেগাওয়াট, অর্থাৎ প্রায় ১৯ দশমিক ১ শতাংশ লোডশেডিং হয়েছে। খুলনায় ২ হাজার ৯৯ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে লোডশেডিং হয়েছে ৩৫৬ মেগাওয়াট, যা প্রায় ১৭ শতাংশ।

চট্টগ্রাম জোনে চাহিদা ছিল ১ হাজার ৬৭০ মেগাওয়াট এবং লোডশেডিং ২০৮ মেগাওয়াট- চাহিদার প্রায় ১২ দশমিক ৫ শতাংশ। অন্যদিকে সবচেয়ে কম অনুপাতে লোডশেডিং হয়েছে ঢাকা জোনে। সেখানে ৬ হাজার ৪৩২ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে লোডশেডিং হয়েছে ৫৮৫ মেগাওয়াট, অর্থাৎ চাহিদার প্রায় ৯ দশমিক ১ শতাংশ।

তবে মোট লোডশেডিংয়ের পরিমাণ বিবেচনায় চিত্রটি ভিন্ন। ৫৮৫ মেগাওয়াট নিয়ে ঢাকা জোনেই সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয়েছে। এরপর ময়মনসিংহে ৪৯০ মেগাওয়াট, কুমিল্লায় ৩৬৮ মেগাওয়াট, রাজশাহীতে ৩৬১ মেগাওয়াট, খুলনায় ৩৫৬ মেগাওয়াট এবং রংপুরে ২৯৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে।

অর্থাৎ, বিদ্যুতের মোট ঘাটতির পরিমাণে ঢাকা এগিয়ে থাকলেও নিজ নিজ জোনের চাহিদার তুলনায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা সবচেয়ে বেশি ময়মনসিংহে। সামগ্রিকভাবে ১৮ হাজার ১০৮ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৩ হাজার ৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে, যা মোট চাহিদার প্রায় ১৬ দশমিক ৬ শতাংশ।

এনএস/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow