সবার আগে দেশ, তদবির নয় ত্যাগীরাই মূল্যায়ন হবে: হুমাম কাদের
রাঙ্গুনিয়া থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী বলেছেন, রাজনীতি মানুষের সেবার জন্য। আমাদের নীতি হবে ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, আর দলের চেয়ে দেশ বড়। দীর্ঘ ১৭-১৮ বছর আমরা কেউ শান্তিতে ছিলাম না, অনেকের বিরুদ্ধে এখনো মামলা রয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেও আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে রাঙ্গুনিয়ার কাদের নগরে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক কুতুব উদ্দিন বাহার। বক্তব্যে হুমাম কাদের চৌধুরী ছাত্রদল ও যুবদলের বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, নতুন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে অতীতের ত্যাগ ও ব্যবহার বিবেচনা করা হবে। কমিটিতে কোনো ‘তদবির বাণিজ্য’ চলবে না। যারা দীর্ঘদিন জান-প্রাণ দিয়ে দলের জন্য কাজ করেছেন, তারাই প্রাধান্য পাবেন। তিনি বলেন, আমার কোনো আলাদা গ্রুপ নেই। আমার গ্রুপ হলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। আমাদের নেতা একজনই তারেক রহমান। প্রথমবার সংসদ সদস্য হিসেবে অধিবেশনে যোগদানের অভিজ্ঞতা তুলে ধর
রাঙ্গুনিয়া থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী বলেছেন, রাজনীতি মানুষের সেবার জন্য। আমাদের নীতি হবে ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, আর দলের চেয়ে দেশ বড়। দীর্ঘ ১৭-১৮ বছর আমরা কেউ শান্তিতে ছিলাম না, অনেকের বিরুদ্ধে এখনো মামলা রয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেও আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে রাঙ্গুনিয়ার কাদের নগরে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক কুতুব উদ্দিন বাহার।
বক্তব্যে হুমাম কাদের চৌধুরী ছাত্রদল ও যুবদলের বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তের কথা জানান।
তিনি বলেন, নতুন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে অতীতের ত্যাগ ও ব্যবহার বিবেচনা করা হবে। কমিটিতে কোনো ‘তদবির বাণিজ্য’ চলবে না। যারা দীর্ঘদিন জান-প্রাণ দিয়ে দলের জন্য কাজ করেছেন, তারাই প্রাধান্য পাবেন।
তিনি বলেন, আমার কোনো আলাদা গ্রুপ নেই। আমার গ্রুপ হলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। আমাদের নেতা একজনই তারেক রহমান।
প্রথমবার সংসদ সদস্য হিসেবে অধিবেশনে যোগদানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাসে সংসদের যাত্রা শুরু করতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি। সংসদে সরকারি ও বিরোধী দল নির্বিশেষে সবাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছেন।
রাঙ্গুনিয়ার মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছর নয়, আজীবন রাঙ্গুনিয়ার মানুষের সুখ-দুঃখের পাশে থাকবো।
দলকে আরও শক্তিশালী করতে একটি সাংগঠনিক প্রস্তাবও দেন তিনি। জানান, এখন থেকে প্রতি মাসের প্রথম শুক্রবার দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সম্মিলিত বৈঠক আয়োজন করা হবে, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সবার মতামতের ভিত্তিতে নেওয়া হবে।
নির্বাচনের ফলাফল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার কাছে প্রতিটি কেন্দ্রের হিসাব রয়েছে। এই ফলাফলই বলে দেয় কে মাঠে কাজ করেছে আর কে করেনি। বিশেষ করে মা-বোনেরা যেভাবে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়েছেন, তা প্রমাণ করে রাঙ্গুনিয়ায় একটাই দল খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের দল।
অনুষ্ঠানে আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি তার পিতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, আজ আমার বাবার জন্মদিন। স্বপ্ন ছিল তাকে সঙ্গে নিয়ে সংসদে যাবো। সশরীরে না পারলেও মনে তাকে ধারণ করি। আপনারা দোয়া করবেন, যেন সংসদে দাঁড়িয়ে রাঙ্গুনিয়ার মানুষের কথা বলতে পারি।
ইফতারের আগে উপস্থিত নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি দেশ, দেশের মানুষ এবং তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়ার অনুরোধ জানান। পাশাপাশি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।
মাহফিলে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
এমআরএএইচ/এসএনআর
What's Your Reaction?