সবার সহযোগিতায় বাঁচাতে চান মুয়াজ্জিন মাহাবুব

সবার সহানুভূতি পেয়ে সুন্দর এ পৃথিবীতে আগের মতো স্বাভাবিক জীবন নিয়ে বাঁচার আকুতি জানিয়েছেন মসজিদের মুয়াজ্জিন মাহাবুব রহমান। তিনি বলেন, দয়া করে আমাকে বাঁচান। বিনা চিকিৎসায় বিদায় নিতে চাই না। ‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না’— এমনিই এক আকুতি জানিয়েছেন গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের এনায়েতপুর গ্রামের সৈয়দ আলীর ছেলে মাহাবুব রহমান। হতদরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া মাহাবুব রহমান বড় জামালপুর শাহি জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন। এ পেশাতে ভালোই চলছিল তার সংসার জীবন। ইসলামের আদর্শে সুন্দর এ সুখের মধ্যে হঠাৎ নেমে আসে দুঃখের কালো ছায়া। এরই মধ্যে আক্রান্ত হয়ে পড়েন দুরারোগ্য কিডনি রোগে। বর্তমানে তার জীবন সংকটাপন্ন। ঢাকার হাসপাতালের চিকিৎসকের তথ্য অনুযায়ী তার দুটো কিডনিই প্রায় বিকল। তাকে মাসে কয়েকবার কিডনি ডায়ালাইসিস করতে হয়। এতে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। রোগাক্রান্ত মাহাবুর রহমান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ঋণ করে কিডনির এ ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালাতে গিয়ে আমি এখন সর্বস্বান্ত। যতদিন বেঁচে থাকবো, ততদিন ডায়ালাইসিস করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। প্রতি মা

সবার সহযোগিতায় বাঁচাতে চান মুয়াজ্জিন মাহাবুব
সবার সহানুভূতি পেয়ে সুন্দর এ পৃথিবীতে আগের মতো স্বাভাবিক জীবন নিয়ে বাঁচার আকুতি জানিয়েছেন মসজিদের মুয়াজ্জিন মাহাবুব রহমান। তিনি বলেন, দয়া করে আমাকে বাঁচান। বিনা চিকিৎসায় বিদায় নিতে চাই না। ‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না’— এমনিই এক আকুতি জানিয়েছেন গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের এনায়েতপুর গ্রামের সৈয়দ আলীর ছেলে মাহাবুব রহমান। হতদরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া মাহাবুব রহমান বড় জামালপুর শাহি জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন। এ পেশাতে ভালোই চলছিল তার সংসার জীবন। ইসলামের আদর্শে সুন্দর এ সুখের মধ্যে হঠাৎ নেমে আসে দুঃখের কালো ছায়া। এরই মধ্যে আক্রান্ত হয়ে পড়েন দুরারোগ্য কিডনি রোগে। বর্তমানে তার জীবন সংকটাপন্ন। ঢাকার হাসপাতালের চিকিৎসকের তথ্য অনুযায়ী তার দুটো কিডনিই প্রায় বিকল। তাকে মাসে কয়েকবার কিডনি ডায়ালাইসিস করতে হয়। এতে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। রোগাক্রান্ত মাহাবুর রহমান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ঋণ করে কিডনির এ ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালাতে গিয়ে আমি এখন সর্বস্বান্ত। যতদিন বেঁচে থাকবো, ততদিন ডায়ালাইসিস করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। প্রতি মাসে তার চিকিৎসা ও ওষুধ বাবদ লাখ টাকার প্রয়োজন হয়। আমার পক্ষে এ অর্থ জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না। সুচিকিৎসার জন্য আরও কয়েক লাখ টাকার প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, চিকিৎসা ব্যয়ে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার জন্য সমাজের সব হৃদয়বান, দানশীল, বিত্তশালী ও সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানের নিকট সাহায্যের আবেদন করছি। সাহায্য পাঠানোর বিকাশ ও নগদ নং ০১৭৪৬-০১৭ ৩১৫, সোনালী ব্যাংকে সাদুল্লাপুর শাখার হিসাব নম্বর ৫১১৪১০১০৩৪১৫৫।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow