সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়

ডেঙ্গু মোকাবিলা শুধু স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দায়িত্ব নয়। একজন সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে স্থানীয় সরকার, সিটি করপোরেশন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান ও অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। শনিবার (৪ জুলাই) জাগো নিউজ আয়োজিত ‘ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় একথা বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম। আরও পড়ুন গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা / ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দায় চাপানো নয়, প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ প্রতি বছরের মতো এবারও ডেঙ্গুর মৌসুম শুরু হয়েছে এবং প্রতিদিনই রোগীর তথ্য পাওয়া যাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছর আক্রান্তের সংখ্যা এখন পর্যন্ত কম। গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা ডেঙ্গুর মৌসুম শুরুর আগেই প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে জানিয়ে সরকারের এই কর্মকর্তা বলেন, এডিস মশার প্রজনন কমাতে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে এবং প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশন বা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মশার প্রজননস্

সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়

ডেঙ্গু মোকাবিলা শুধু স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দায়িত্ব নয়। একজন সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে স্থানীয় সরকার, সিটি করপোরেশন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান ও অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।

শনিবার (৪ জুলাই) জাগো নিউজ আয়োজিত ‘ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় একথা বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম।

প্রতি বছরের মতো এবারও ডেঙ্গুর মৌসুম শুরু হয়েছে এবং প্রতিদিনই রোগীর তথ্য পাওয়া যাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছর আক্রান্তের সংখ্যা এখন পর্যন্ত কম।

সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা

ডেঙ্গুর মৌসুম শুরুর আগেই প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে জানিয়ে সরকারের এই কর্মকর্তা বলেন, এডিস মশার প্রজনন কমাতে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে এবং প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশন বা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা সম্ভব নয়।

এজন্য প্রত্যেক নাগরিককে নিজের বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব নিতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

অধ্যাপক ফোয়ারা তাসমীম বলেন, পরিবারের সবাইকে, বিশেষ করে শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সচেতন করে তুলতে হবে, যাতে তারা যেখানে-সেখানে ময়লা বা পানি জমতে পারে এমন বস্তু না ফেলে। একই সঙ্গে গৃহকর্মী, স্বল্পশিক্ষিত ও অশিক্ষিত মানুষসহ সমাজের সব স্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

জাগো নিউজের সম্পাদক কে. এম. জিয়াউল হকের সঞ্চালনায় গোলটেবিল আলোচনায় আরও অংশ নেন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশার, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এপিডেমিওলজিস্ট ও মেডিকেল অফিসার ডা. মো. তারিকুল ইসলাম লিমন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উপ-প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. নিশাত পারভিন এবং বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি প্রতীক ইজাজ।

আরএএস/এএসএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow