সমবেদনা জানাতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে যাচ্ছেন রাজনাথ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর শ্রদ্ধা জানাতে বাংলাদেশে আসেন। এবার শোক জানাতে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে যাবেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ হাইকমিশনে যাওয়ার কথা রয়েছে রাজনাথ সিংয়ের। এর আগে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবরে বুধবার ঢাকায় আসনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানিয়েছেন। গত মঙ্গলবার ভোরে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে মারা যান বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। এর পরপরই এক এক্স পোস্টে শোক জানান নরেন্দ্র মোদি। সেদিনই তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বুধবার ঢাকায় এসে খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি ভারত সরকারের শোকবার্তা তারেক রহমানের কাছে হস্তান্তর করেন। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, দিল্লির এসব উদ্যো
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর শ্রদ্ধা জানাতে বাংলাদেশে আসেন।
এবার শোক জানাতে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে যাবেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ হাইকমিশনে যাওয়ার কথা রয়েছে রাজনাথ সিংয়ের।
এর আগে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবরে বুধবার ঢাকায় আসনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানিয়েছেন।
গত মঙ্গলবার ভোরে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে মারা যান বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। এর পরপরই এক এক্স পোস্টে শোক জানান নরেন্দ্র মোদি।
সেদিনই তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বুধবার ঢাকায় এসে খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি ভারত সরকারের শোকবার্তা তারেক রহমানের কাছে হস্তান্তর করেন।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, দিল্লির এসব উদ্যোগকে বিএনপির নতুন নেতৃত্বের প্রতি দিল্লির একটি কৌশলগত যোগাযোগ প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
What's Your Reaction?