সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া নিয়ে নির্দেশনা চান চিফ প্রসিকিউটর
মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত আসামিদের সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে কী প্রক্রিয়ায় ও কতটুকু বণ্টন হবে তা স্পষ্ট করার জন্য ট্রাইব্যুনালের কাছে নির্দেশনা চেয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। বুধবার (১২ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর কাছে ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবির পাশাপাশি তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের এ আদেশ চাওয়া হয়। পরে এক ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এর আগে গতকাল বুধবার মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত আসামিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের রায় কার্যকর করার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কার্যবিধি সংশোধন করতে উদ্যোগ নেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়। চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়কে এ উদ্যোগ নেওয়ার আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আমরা আরও বলেছি, আপনারা জানেন এর আগে যে ৬টি মামলার রায় হয়েছে, সেখানে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের সম্পদ বাজেয়াপ্তর আদেশ রয়ে
মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত আসামিদের সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে কী প্রক্রিয়ায় ও কতটুকু বণ্টন হবে তা স্পষ্ট করার জন্য ট্রাইব্যুনালের কাছে নির্দেশনা চেয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
বুধবার (১২ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর কাছে ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবির পাশাপাশি তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের এ আদেশ চাওয়া হয়। পরে এক ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
এর আগে গতকাল বুধবার মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত আসামিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের রায় কার্যকর করার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কার্যবিধি সংশোধন করতে উদ্যোগ নেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়। চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়কে এ উদ্যোগ নেওয়ার আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আমরা আরও বলেছি, আপনারা জানেন এর আগে যে ৬টি মামলার রায় হয়েছে, সেখানে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের সম্পদ বাজেয়াপ্তর আদেশ রয়েছে। অনেককে অর্থ জরিমানা করা হয়েছে। সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের যে আদেশ ছিল সেগুলো এখনো আমরা বাস্তবায়ন করতে পারিনি। এর কারণ আমাদের যে আইন আছে, সেখানে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও জরিমানার বিধান আছে, কিন্তু সেখানে জরিমানা আদায় ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া কী হবে, এটি আমাদের রুলস অব প্রসিডিউরসে নেই।
তিনি জানান, সেকারণে আজকে আমরা এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের কাছে আবেদন জানিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সিআরপিসি ৩৭৬ ধারায় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও জরিমানা আদায়ের একটা বিধান আছে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইস ট্রাইব্যুনাল এ্যাক্ট-১৯৭৩ এর আওতায় ট্রাইব্যুনাল পরিচালিত হয়, এখানে কোন রায় বাস্তবায়ন করে সরকার।
তিনি বলেন সরকার কি প্রক্রিয়ায় জরিমানা আদায় করবে, যেহেতু আমাদের রুলস অব প্রসিডিউরসে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রভিশন নেই, তাই ট্রাইব্যুনালের কাছে বলেছি, আমাদের দেশে প্রচলিত আইন আছে তা অনুসরণ করে যেন প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন করা যায়।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও জরিমানা আদায়ের আইন যেন সংশোধন করা যায়, সেজন্য ট্রাইব্যুনাল বিচারপতিদের সঙ্গে পরামর্শ করবেন। এ বিষয়ে আমাকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
এফএইচ/এমকেআর
What's Your Reaction?