‘সম্মান বাঁচাতে গিয়ে জীবন হারিয়ে ফেললাম’
রাজধানীর চকবাজারের একটি বাসা থেকে আরাফাত হোসেন (৩৫) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত শনিবার (২০ জুন) দিবাগত রাত ২টার দিকে চকবাজারের হাজী বাবুল রোড এলাকার বাসা থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার (২১ জুন) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। চকবাজার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মনসুর হেলাল জানান, খবর পেয়ে শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে চকবাজারের হাজী বাবুল রোডের একটি ভবনের চারতলার বাসা থেকে আরাফাতের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আরও পড়ুন রাজধানীতে বাসায় ঝুলছিল শিক্ষার্থীর মরদেহ শ্বশুরবাড়ি থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পরিবারের বরাত দিয়ে এসআই মো. মনসুর আরও জানান, পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্ত্রীর ওপর অভিমান করে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ফাঁস নেন আরাফাত। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। নিহতের ভাই পাপ্পু জানান, আরাফাত একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন
রাজধানীর চকবাজারের একটি বাসা থেকে আরাফাত হোসেন (৩৫) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গত শনিবার (২০ জুন) দিবাগত রাত ২টার দিকে চকবাজারের হাজী বাবুল রোড এলাকার বাসা থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার (২১ জুন) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
চকবাজার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মনসুর হেলাল জানান, খবর পেয়ে শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে চকবাজারের হাজী বাবুল রোডের একটি ভবনের চারতলার বাসা থেকে আরাফাতের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পরিবারের বরাত দিয়ে এসআই মো. মনসুর আরও জানান, পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্ত্রীর ওপর অভিমান করে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ফাঁস নেন আরাফাত। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
নিহতের ভাই পাপ্পু জানান, আরাফাত একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। তার স্ত্রী খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি পরিবারে জানাজানি হলে একপর্যায়ে আরাফাতকে ডেকে নিয়ে তার শ্বশুর সবকিছু মেনে নিতে তাকে চাপ দেন। আরাফাত যেন কোনোভাবেই স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ না করেন এজন্য তাকে ভয়ভীতি দেখানো হয়। এরপর থেকে স্ত্রীর সঙ্গে আরাফাতের সম্পর্ক ভালো ছিল না। এ নিয়ে তিনি মানসিক চাপে ছিলেন। শনিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। মৃত্যুর আগে ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘সম্মান বাঁচাতে গিয়ে জীবন হারিয়ে ফেললাম।’
কাজী আল আমিন/এমএমকে
What's Your Reaction?

