সরকারি খরচে আইনি সহায়তা পেলেন ৬ লাখ ১৪ হাজার জন
জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) মাধ্যমে সরকারি খরচে ৬ লাখ ১৩ হাজার ৯২১ জনকে আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়েছে। লিগ্যাল এইডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমন তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আইনি সহায়তার বিস্তারিত তথ্য এ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সংস্থার অধীনে সরকারি খরচে এই সময়ের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ২৭ হাজার ৫৮০ জন, দেশের ৬৪ জেলার লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ৩ লাখ ৫১ হাজার ২৫৩ জন এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনি সহায়তা সেলের মাধ্যমে ২২ হাজার ৩২৭ জনকে আইনি সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন আইনি সহায়তা পাওয়া যায় স্বল্প ও বিনামূল্যে সরকারি আইনি সহায়তায় জাতীয় হেল্পলাইন কলসেন্টারের (টোল ফ্রি-‘১৬৬৯৯’) মাধ্যমে ২ লাখ ১২ হাজার ৫২০ জনকে আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়েছে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আইনি পরামর্শ (ফেসবুক মেসেঞ্জার) পেয়েছেন ২৪১ জন। দেশে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনি সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের’ অধীনে সরকারি খরচে এসব সেবা
জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) মাধ্যমে সরকারি খরচে ৬ লাখ ১৩ হাজার ৯২১ জনকে আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়েছে।
লিগ্যাল এইডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমন তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আইনি সহায়তার বিস্তারিত তথ্য এ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সংস্থার অধীনে সরকারি খরচে এই সময়ের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ২৭ হাজার ৫৮০ জন, দেশের ৬৪ জেলার লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ৩ লাখ ৫১ হাজার ২৫৩ জন এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনি সহায়তা সেলের মাধ্যমে ২২ হাজার ৩২৭ জনকে আইনি সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
সরকারি আইনি সহায়তায় জাতীয় হেল্পলাইন কলসেন্টারের (টোল ফ্রি-‘১৬৬৯৯’) মাধ্যমে ২ লাখ ১২ হাজার ৫২০ জনকে আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়েছে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আইনি পরামর্শ (ফেসবুক মেসেঞ্জার) পেয়েছেন ২৪১ জন।
দেশে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনি সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের’ অধীনে সরকারি খরচে এসব সেবা দেওয়া হয়। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
এফএইচ/এমএমকে
What's Your Reaction?
