সরকারি খরচে বিশেষ বিমানে কানাডায় গেল কাতারি সমর্থকরা

কানাডার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচকে সামনে রেখে বিশেষ সরকারি উদ্যোগে উত্তর আমেরিকার দেশটিতে পৌঁছেছেন প্রায় ১ হাজার কাতারি সমর্থক। কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির চার্টার করা বিমানে তারা ভ্যাঙ্কুভারে পৌঁছান। এই সমর্থকদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে শহরের বিলাসবহুল হোটেলগুলোতে, যার মধ্যে ফেয়ারমন্ট ও জেডব্লিউ ম্যারিয়ট পার্ক উল্লেখযোগ্য। শহরের কেন্দ্রাঞ্চলে তাদের উপস্থিতি নজর কাড়ছে, যেখানে তারা ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র ‘দারবুকা’ বাজিয়ে দলকে উজ্জীবিত করছেন। দলের অধিনায়ক আবদুলআজিজ হাতেম সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, যারা এই যাত্রা সম্ভব করেছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। তিনি বলেন, দল তাদের সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং গর্বিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। কাতারের সোশ্যাল অ্যান্ড স্পোর্ট কন্ট্রিবিউশন ফান্ড এবং দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের যৌথ উদ্যোগে ‘কাতারি ফ্যানস ডেলিগেশন প্রোগ্রাম’ পরিচালিত হচ্ছে। এই কর্মসূচির আওতায় সমর্থকদের বিমান ভাড়া, হোটেল, স্থানীয় পরিবহনসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। ফেডারেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো স্টেডিয়ামে প্রাণবন্ত পরিবেশ তৈরি করা, য

সরকারি খরচে বিশেষ বিমানে কানাডায় গেল কাতারি সমর্থকরা
কানাডার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচকে সামনে রেখে বিশেষ সরকারি উদ্যোগে উত্তর আমেরিকার দেশটিতে পৌঁছেছেন প্রায় ১ হাজার কাতারি সমর্থক। কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির চার্টার করা বিমানে তারা ভ্যাঙ্কুভারে পৌঁছান। এই সমর্থকদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে শহরের বিলাসবহুল হোটেলগুলোতে, যার মধ্যে ফেয়ারমন্ট ও জেডব্লিউ ম্যারিয়ট পার্ক উল্লেখযোগ্য। শহরের কেন্দ্রাঞ্চলে তাদের উপস্থিতি নজর কাড়ছে, যেখানে তারা ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র ‘দারবুকা’ বাজিয়ে দলকে উজ্জীবিত করছেন। দলের অধিনায়ক আবদুলআজিজ হাতেম সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, যারা এই যাত্রা সম্ভব করেছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। তিনি বলেন, দল তাদের সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং গর্বিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। কাতারের সোশ্যাল অ্যান্ড স্পোর্ট কন্ট্রিবিউশন ফান্ড এবং দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের যৌথ উদ্যোগে ‘কাতারি ফ্যানস ডেলিগেশন প্রোগ্রাম’ পরিচালিত হচ্ছে। এই কর্মসূচির আওতায় সমর্থকদের বিমান ভাড়া, হোটেল, স্থানীয় পরিবহনসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। ফেডারেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো স্টেডিয়ামে প্রাণবন্ত পরিবেশ তৈরি করা, যা খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় অবস্থানরত কাতারি শিক্ষার্থীদেরও ম্যাচগুলোতে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে স্বাগতিক কানাডার লাল জার্সিধারী সমর্থকদের তুলনায় কাতারি সমর্থকদের সংখ্যা অনেক কম থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বে প্রাকৃতিক গ্যাস ও তেল রপ্তানিতে অন্যতম শীর্ষ দেশ কাতারের জনসংখ্যা প্রায় ৩.২ মিলিয়ন। দেশটি ২০২২ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপ আয়োজন করে এবং ইতিহাসে প্রথম আয়োজক দেশ হিসেবে গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচে হেরেছিল। এবারের আসরে তুলনামূলক ভালো পারফরম্যান্স করছে কাতার। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে যোগ করা সময়ে বোলেম খৌখি হেডে গোল করে দলকে ১-১ সমতায় আনেন। অন্যদিকে স্বাগতিক কানাডাও তাদের প্রথম বিশ্বকাপ পয়েন্ট পেয়েছে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ১-১ ড্রয়ের মাধ্যমে। সেই ম্যাচে সাইল লারিন ৭৮তম মিনিটে সমতা ফেরানো গোলটি করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow