সরকারি গাড়িতে হাই-অকটেনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করলো পাকিস্তান

কঠোর পদক্ষেপ ঘোষণা করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। আজ সোমবার তিনি সরকারি সব গাড়িতে উন্নতমানের পরিশোধিত অকটেন (হাই-অকটেন) ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। এর আগে হাই-অকটেনের ওপর সারচার্জ প্রতি লিটারে ২০০ রুপি বাড়ানো হয়েছিল। ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জেরে বিশ্বব্যাপী জ্বালানিসংকট তৈরির পাশাপাশি দামও বেড়েছে অনেক। এর প্রভাব সামাল দিতে পাকিস্তান সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) এক ঘোষণায় বলা হয়েছে, সরকারি গাড়িতে হাই-অকটেন ব্যবহার করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রয়োজনে ওই জ্বালানির খরচ কর্মকর্তাদের নিজেদের পকেট থেকেই দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বৈশ্বিক তেলসংকটের কারণে জ্বালানি সাশ্রয় করা জরুরি। এর আগে রোববার বিলাসবহুল গাড়িতে ব্যবহৃত হাই-অকটেন জ্বালানির ওপর সারচার্জ প্রতি লিটারে ২০০ রুপি বাড়িয়ে মোট ৩০০ রুপি করা হয়। তবে গণপরিবহন বা বিমানে ব্যবহৃত জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়নি। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রতি মাসে সরকারের ৯০০ কোটি রুপি সাশ্রয় হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই অর্থ জনগণের পেছনে ব্যয়

সরকারি গাড়িতে হাই-অকটেনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করলো পাকিস্তান

কঠোর পদক্ষেপ ঘোষণা করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। আজ সোমবার তিনি সরকারি সব গাড়িতে উন্নতমানের পরিশোধিত অকটেন (হাই-অকটেন) ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। এর আগে হাই-অকটেনের ওপর সারচার্জ প্রতি লিটারে ২০০ রুপি বাড়ানো হয়েছিল।

ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জেরে বিশ্বব্যাপী জ্বালানিসংকট তৈরির পাশাপাশি দামও বেড়েছে অনেক। এর প্রভাব সামাল দিতে পাকিস্তান সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) এক ঘোষণায় বলা হয়েছে, সরকারি গাড়িতে হাই-অকটেন ব্যবহার করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রয়োজনে ওই জ্বালানির খরচ কর্মকর্তাদের নিজেদের পকেট থেকেই দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বৈশ্বিক তেলসংকটের কারণে জ্বালানি সাশ্রয় করা জরুরি।

এর আগে রোববার বিলাসবহুল গাড়িতে ব্যবহৃত হাই-অকটেন জ্বালানির ওপর সারচার্জ প্রতি লিটারে ২০০ রুপি বাড়িয়ে মোট ৩০০ রুপি করা হয়। তবে গণপরিবহন বা বিমানে ব্যবহৃত জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়নি।

এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রতি মাসে সরকারের ৯০০ কোটি রুপি সাশ্রয় হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই অর্থ জনগণের পেছনে ব্যয় হবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, এতে ধনীদের ওপর বেশি চাপ পড়বে এবং অর্থনীতির ওপর চাপ কিছুটা কমবে বলেও মনে করছে সরকার।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow