সরকারি মূল্যের অর্ধেকে বিক্রি হচ্ছে ধান, ঈদের আমেজ নেই কৃষক পরিবারে
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের কষ্টের সোনালী ফসল পাকা ধানের সমারোহ শেষে ধান কাটা-মাড়াইয়, সিদ্ধ আর শুকাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক- কৃষাণীরা। চলতি মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুটলেও ধান বিক্রি করতে গিয়ে হতাশায় ভুগছেন কৃষক। সরকারি মূল্যের অর্ধেকে বিক্রি হচ্ছে ধান। এতে ঈদের আমেজ নেই অনেক কৃষক পরিবারে। উপজেলা কৃষি বিভাগের দেওয়া তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১০টি ইউনিয়নে ১৬ হাজার ৪৮৫ হেক্টর জমিতে ধান চাষ করা হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৩৪১ টন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কথা হয় কৃষকদের সঙ্গে। তাদের ভাষ্য, উৎপাদন খরচ বেড়ে গেলেও বাজারে ধানের দাম আশানুরূপ না হওয়ায় খরচের টাকাই তুলতে পারছেন না। তারা জানালেন, সরকারিভাবে ধান ক্রয় করা হবে ৩৬ টাকা কেজি দরে। তাতে ১ মণ ধানের সরকারি মূল্য দাড়ায় ১ হাজার ৪৪০ টাকা। অথচ ধান বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা থেকে ৮৫০ টাকা মণ দরে। এতে অনেক কৃষক পরিবার এবার কুরবানি থেকে বঞ্চিত হবেন। উপজেলার সোনাহাট ইউনিয়নের কৃষক সাহেব আলী জানালেন, গত বছর এ সময়ে প্রতি মণ ধান ১১০০ টাকায় বিক্রি করেছি, এখন ৮৫০ টাকার বেশি দাম পাওয়া যাচ্ছে
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের কষ্টের সোনালী ফসল পাকা ধানের সমারোহ শেষে ধান কাটা-মাড়াইয়, সিদ্ধ আর শুকাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক- কৃষাণীরা। চলতি মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুটলেও ধান বিক্রি করতে গিয়ে হতাশায় ভুগছেন কৃষক। সরকারি মূল্যের অর্ধেকে বিক্রি হচ্ছে ধান। এতে ঈদের আমেজ নেই অনেক কৃষক পরিবারে। উপজেলা কৃষি বিভাগের দেওয়া তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১০টি ইউনিয়নে ১৬ হাজার ৪৮৫ হেক্টর জমিতে ধান চাষ করা হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৩৪১ টন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কথা হয় কৃষকদের সঙ্গে। তাদের ভাষ্য, উৎপাদন খরচ বেড়ে গেলেও বাজারে ধানের দাম আশানুরূপ না হওয়ায় খরচের টাকাই তুলতে পারছেন না। তারা জানালেন, সরকারিভাবে ধান ক্রয় করা হবে ৩৬ টাকা কেজি দরে। তাতে ১ মণ ধানের সরকারি মূল্য দাড়ায় ১ হাজার ৪৪০ টাকা। অথচ ধান বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা থেকে ৮৫০ টাকা মণ দরে। এতে অনেক কৃষক পরিবার এবার কুরবানি থেকে বঞ্চিত হবেন।
উপজেলার সোনাহাট ইউনিয়নের কৃষক সাহেব আলী জানালেন, গত বছর এ সময়ে প্রতি মণ ধান ১১০০ টাকায় বিক্রি করেছি, এখন ৮৫০ টাকার বেশি দাম পাওয়া যাচ্ছে না। এতে খরচের টাকাই উঠছে না।" পাইকেরছড়া ইউনিয়নের কৃষক খোকন মিয়ার ভাষ্য, ধান বিক্রি করে কুরবানির পশু কিনবো। বাড়িতে ধানের পাইকের ডেকেছি কিন্তু যে দাম বলছে তাতে ১৫ মণ ধান বিক্রি করে একটি ছাগলও কেনা সম্ভব না।
আরেক কৃষক মশিউর রহমান জানান, ধান বিক্রি করে কুরবানি দেওয়ার কথা। ধানের দাম কমে যাওয়ায় বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছি। তাই কুরবানি নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় আছি।"
কৃষকদের দাবি , সরকারি ভাবে দ্রুত ধান ক্রয় কার্যক্রম শুরু করতে হবে। তাতে বাজারে ধানের দাম বাড়বে এবং কৃষক ন্যায্যমূল্য পাবেন। কৃষকের কষ্টের আবাদ ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত না হলে তাদের হতাশা আরও বাড়বে।
গ্রামগঞ্জ থেকে ধান কিনে দেশের বিভিন্ন এলাকার অটো রাইস মিলে সর্বরাহ করেন আমজাদ হোসেন। তার ভাষ্য, এই মূহুর্তে মিল মালিকরা শুকনা ধান কম কিনছেন। আর কাচা ধানে ঘার্তি হয় তাই একটু দাম কম।
এবিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আব্দুল জব্বার জানালেন, উপজেলা জুড়ে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করছে কৃষি বিভাগ। আবহওয়া ভালো হলে কৃষক ধানের ন্যায্য মূল্য পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
What's Your Reaction?