সরকারি হাসপাতালের সিরিঞ্জ বাইরে বিক্রির সময় নারী আটক
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ইনজেকশন সিরিঞ্জ বাইরে বিক্রির সময় রওশনা বেগম নামের এক নারীকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে গাইবান্ধা শহরের হাসপাতাল রোড এলাকায় ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনে তাকে আটক করেন স্থানীয়রা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিকেলে শহরের ফায়ার সার্ভিসের মোড়ে সন্দেহজনকভাবে একটি বস্তা বহন করার সময় ওই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তার কাছে থাকা একটি ময়লার বস্তা থেকে তিন কার্টন ইনজেকশন সিরিঞ্জ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের প্রশ্নের মুখে ওই নারী দাবি করেন, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ইনচার্জ ঝরনা বেগম তাকে এসব সিরিঞ্জ দিয়েছেন। এ বিষয়ে রওশনা বেগম বলেন, ‘আমি তো কাজ করে দিয়ে নিয়েছি। যে দিয়েছে তাকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করেন।’ জানতে চাইলে অভিযুক্ত ইনচার্জ ঝরনা বেগম বলেন, ‘বহিরাগতদের দিয়ে কাজ করার বিনিময়ে তাকে সিরিঞ্জ দিয়েছি। তবে এ কাজ করা আমার ঠিক হয়নি।’ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আসিফউর রহমান বলেন, ‘ইনজেকশনের সিরিঞ্জ বিক্রির জন্য ওই নারী নিয়ে গেছেন, বিষয়টি সত্য। তবে কার মাধ্যমে তিনি এগুলো পেলেন তা তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনার সঙ্গে হাসপাতালে যেই জড়
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ইনজেকশন সিরিঞ্জ বাইরে বিক্রির সময় রওশনা বেগম নামের এক নারীকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে গাইবান্ধা শহরের হাসপাতাল রোড এলাকায় ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনে তাকে আটক করেন স্থানীয়রা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিকেলে শহরের ফায়ার সার্ভিসের মোড়ে সন্দেহজনকভাবে একটি বস্তা বহন করার সময় ওই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তার কাছে থাকা একটি ময়লার বস্তা থেকে তিন কার্টন ইনজেকশন সিরিঞ্জ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের প্রশ্নের মুখে ওই নারী দাবি করেন, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ইনচার্জ ঝরনা বেগম তাকে এসব সিরিঞ্জ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে রওশনা বেগম বলেন, ‘আমি তো কাজ করে দিয়ে নিয়েছি। যে দিয়েছে তাকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করেন।’
জানতে চাইলে অভিযুক্ত ইনচার্জ ঝরনা বেগম বলেন, ‘বহিরাগতদের দিয়ে কাজ করার বিনিময়ে তাকে সিরিঞ্জ দিয়েছি। তবে এ কাজ করা আমার ঠিক হয়নি।’
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আসিফউর রহমান বলেন, ‘ইনজেকশনের সিরিঞ্জ বিক্রির জন্য ওই নারী নিয়ে গেছেন, বিষয়টি সত্য। তবে কার মাধ্যমে তিনি এগুলো পেলেন তা তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনার সঙ্গে হাসপাতালে যেই জড়িত থাকুক না কেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আনোয়ার আল শামীম/এসআর/জেআইএম
What's Your Reaction?