সরকারের বিরোধিতা করায় বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ ইরান তারকা, সমালোচনার ঝড়

ফুটবল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ এবং প্রস্তুতি নিয়ে এতদিন বিতর্ক চলছিল। এবার ইরান ফুটবল দলকে নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হল দেশটির অন্দরমহলে। সরকারের বিরোধিতা করার কারণে দেশটির তারকা ফুটবলারকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে আবার সমর্থকদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বিশ্বকাপ দল থেকে তারকা ফুটবলারকে বাদ দেওয়ায় মাঠে নামতে হচ্ছে রাজনীতিবিদকেও। বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়া ওই ফুটবলারের নাম সর্দার আজমাউন। তাকে ৩০ জনের প্রাথমিক দলে রাখেননি কোচ আমির ঘালেনোই। ইরানের সর্বকালের অন্যতম সেরা গোলদাতা ৩১ বছর বয়সী আজমাউন। ৯১ ম্যাচে ৫৭ গোল করেছেন তিনি। একসময় বায়ার লেভারকুসেন, এএস রোমা এবং জেনিত সেন্ট পিটার্সবার্গের মতো প্রথম সারির ক্লাবগুলোয় খেলেছেন। তাকে বাদ দেওয়ায় ইরানের দল নির্বাচনে রাজনীতির অনুপ্রবেশ ঘটেছে বলে মনে করছেন দেশটির ফুটবলপ্রেমীরা। ইংল্যান্ডের একটি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজনীতিবিদ আবদেলকরিম হোসেনজাদেহ প্রকাশ্যে কোচকে অনুরোধ করেছেন, যাতে আজমাউনকে দলে ফেরানোর ব্যাপারে ভাবনাচিন্তা করা হয়। একে জাতীয় সংহতির বিষয় বলেও বর্ণনা করেছেন তিনি। যদিও কোচের প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। ২০২৫-এর জুন থ

সরকারের বিরোধিতা করায় বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ ইরান তারকা, সমালোচনার ঝড়

ফুটবল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ এবং প্রস্তুতি নিয়ে এতদিন বিতর্ক চলছিল। এবার ইরান ফুটবল দলকে নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হল দেশটির অন্দরমহলে। সরকারের বিরোধিতা করার কারণে দেশটির তারকা ফুটবলারকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে আবার সমর্থকদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বিশ্বকাপ দল থেকে তারকা ফুটবলারকে বাদ দেওয়ায় মাঠে নামতে হচ্ছে রাজনীতিবিদকেও।

বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়া ওই ফুটবলারের নাম সর্দার আজমাউন। তাকে ৩০ জনের প্রাথমিক দলে রাখেননি কোচ আমির ঘালেনোই। ইরানের সর্বকালের অন্যতম সেরা গোলদাতা ৩১ বছর বয়সী আজমাউন। ৯১ ম্যাচে ৫৭ গোল করেছেন তিনি।

একসময় বায়ার লেভারকুসেন, এএস রোমা এবং জেনিত সেন্ট পিটার্সবার্গের মতো প্রথম সারির ক্লাবগুলোয় খেলেছেন। তাকে বাদ দেওয়ায় ইরানের দল নির্বাচনে রাজনীতির অনুপ্রবেশ ঘটেছে বলে মনে করছেন দেশটির ফুটবলপ্রেমীরা।

ইংল্যান্ডের একটি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজনীতিবিদ আবদেলকরিম হোসেনজাদেহ প্রকাশ্যে কোচকে অনুরোধ করেছেন, যাতে আজমাউনকে দলে ফেরানোর ব্যাপারে ভাবনাচিন্তা করা হয়। একে জাতীয় সংহতির বিষয় বলেও বর্ণনা করেছেন তিনি। যদিও কোচের প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।

২০২৫-এর জুন থেকে ইরানের হয়ে খেলেননি আজমাউন। ইরান সরকারের বিরুদ্ধে একাধিকবার কথা বলেছিলেন তিনি। ২০২২-এ মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর নারী প্রতিবাদকারীদের পক্ষে দাঁড়িয়ে কথা বলেছিলেন আজমাউন। জানিয়েছিলেন, তাকে দল থেকে বাদ দেওয়া হতে পারে।

কিন্তু নিজ দেশের নারীদের স্বার্থে সেটা তিনি মেনে নিতে রাজি। সম্প্রতি দুবাইয়ের শাসক মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের সঙ্গে বৈঠক করতে দেখা গেছে আজমাউনকে। যেটাকে ভালোভাবে নিচ্ছে না ইরান সরকার।

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow