সরিষাবাড়ীতে ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ
সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে দুঃস্থ ও অতিদরিদ্র পরিবারের জন্য ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ৩৭৬০৭ জন উপকারভোগীর জন্য ৩৭৬.০৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়। রোববার (২৪ মে) সকালে উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নে উপকারভোগীদের চাল বিতরণ শুরু হয়। ইউনিয়নে ৫১৮৯ জন উপকারভোগীকে (জন প্রতি ১০ কেজি করে) চাল বিতরণ করার কথা থাকলেও ওজনে কম দেওয়াসহ অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। রৌহা গ্রামের মজিবর রহমান, ছাতারিয়া গ্রামের আছিয়া বেগম, চর সরিষাবাড়ীর আম্বিয়া বেগমসহ অনেক নারী-পুরুষ ১০ কেজি চালের মধ্যে ২ কেজি কম দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এছাড়াও সকাল সাড়ে ১১টায় ইউনিয়ন পরিষদে বিতরণ লাইনে দুঃস্থ ও অতিদরিদ্র পরিবারের কার্ডধারীদের তেমন উপস্থিতি দেখা যায়নি বলে নজরুল ইসলাম, ফয়েজ মিয়া, রেজিয়াসহ কয়েকজন নিশ্চিত করেন। একই চিত্র দেখা গেছে আওনা ইউনিয়ন পরিষদে। সেখানে ৪৫০৫ জন উপকারভোগীর মাঝে চাল বিতরণ করার কথা। কার্ডধারীদের অনুপস্থিতির বিষয়টি এলাকায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এছাড়াও পিংনা ইউনিয়নে গত শনিবার ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ৪১৭২ জন উপকারভোগীর মাঝে চাল বিতরণের সময় ক
সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে দুঃস্থ ও অতিদরিদ্র পরিবারের জন্য ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ৩৭৬০৭ জন উপকারভোগীর জন্য ৩৭৬.০৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়।
রোববার (২৪ মে) সকালে উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নে উপকারভোগীদের চাল বিতরণ শুরু হয়। ইউনিয়নে ৫১৮৯ জন উপকারভোগীকে (জন প্রতি ১০ কেজি করে) চাল বিতরণ করার কথা থাকলেও ওজনে কম দেওয়াসহ অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। রৌহা গ্রামের মজিবর রহমান, ছাতারিয়া গ্রামের আছিয়া বেগম, চর সরিষাবাড়ীর আম্বিয়া বেগমসহ অনেক নারী-পুরুষ ১০ কেজি চালের মধ্যে ২ কেজি কম দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এছাড়াও সকাল সাড়ে ১১টায় ইউনিয়ন পরিষদে বিতরণ লাইনে দুঃস্থ ও অতিদরিদ্র পরিবারের কার্ডধারীদের তেমন উপস্থিতি দেখা যায়নি বলে নজরুল ইসলাম, ফয়েজ মিয়া, রেজিয়াসহ কয়েকজন নিশ্চিত করেন।
একই চিত্র দেখা গেছে আওনা ইউনিয়ন পরিষদে। সেখানে ৪৫০৫ জন উপকারভোগীর মাঝে চাল বিতরণ করার কথা। কার্ডধারীদের অনুপস্থিতির বিষয়টি এলাকায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এছাড়াও পিংনা ইউনিয়নে গত শনিবার ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ৪১৭২ জন উপকারভোগীর মাঝে চাল বিতরণের সময় কার্ডধারীদের উপস্থিতি তেমন চোখে পড়েনি। বিষয়টি স্থানীয় শাহজাহান মিয়া, রেবেকাসহ বেশ কয়েকজন হতাশা ব্যক্ত করেন।
পিংনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ নজরুল ইসলাম বলেন, চাল বিতরণের কার্ড হাতে পাই নাই। তা ছাড়া আমি জন্ম নিবন্ধন, চারিত্রিক সনদ স্বাক্ষর ছাড়া আর কোনো কিছুতে জড়াই না। সিস্টেম মতোই সব চলতেছে বলে তিনি জানান।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শওকত জামিল বলেন, এ বিষয়ে আমাকে কেউ অভিযোগ করেনি। অনিয়মের অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা আফসানা বলেন, বিষয়টি দেখে আমরা অসহায় অতিদরিদ্রদের মধ্যে বিতরণের ব্যবস্থা নেব।
What's Your Reaction?