সর্বমিত্র চাকমার কান ধরিয়ে উঠবস করানোর নতুন ভিডিও ভাইরাল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে প্রবেশ করা কয়েকজন বহিরাগতকে কান ধরে উঠবস করাতে দেখা গেছে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমাকে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত আরও একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটিতে দেখা যায়, সর্বমিত্র চাকমা হাতে একটি বড় লাঠি নিয়ে কয়েকজন ব্যক্তিকে কান ধরে উঠবস করাচ্ছেন। তারা বয়সে পূর্বে আলোচিত ঘটনার শিশুদের তুলনায় কিছুটা বড়। এ সময় উঠবসের সংখ্যা গুনতে শোনা যায়। পাশাপাশি একজন ঠিকভাবে কান না ধরায় সর্বমিত্র চাকমা তার দিকে তেড়ে যান বলেও ভিডিওতে দেখা যায়। এ বিষয়ে ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, এই ঘটনাটি অত্যন্ত গর্হিত এবং আইন বহির্ভূত কাজ। এ ঘটনার দায় শুধু তার (সর্বমিত্র চাকমা) ওপরই বর্তায়। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক স্ট্যাটাসে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন সর্বমিত্র চাকমা। তিনি এ ঘটনার দায় স্বীকার করে বলেন, এভাবে কাউকে শাস্তি দেওয়া আমার উচিত হয়নি এবং এই ঘটনার জন্য আমি নিঃশর্তভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। এর আগে, একই মাঠে খেলতে আসা কয়েকজন শিশুকে এভাবে শাস্তি দেওয়ার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে প্রবেশ করা কয়েকজন বহিরাগতকে কান ধরে উঠবস করাতে দেখা গেছে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমাকে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত আরও একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটিতে দেখা যায়, সর্বমিত্র চাকমা হাতে একটি বড় লাঠি নিয়ে কয়েকজন ব্যক্তিকে কান ধরে উঠবস করাচ্ছেন। তারা বয়সে পূর্বে আলোচিত ঘটনার শিশুদের তুলনায় কিছুটা বড়।
এ সময় উঠবসের সংখ্যা গুনতে শোনা যায়। পাশাপাশি একজন ঠিকভাবে কান না ধরায় সর্বমিত্র চাকমা তার দিকে তেড়ে যান বলেও ভিডিওতে দেখা যায়।
এ বিষয়ে ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, এই ঘটনাটি অত্যন্ত গর্হিত এবং আইন বহির্ভূত কাজ। এ ঘটনার দায় শুধু তার (সর্বমিত্র চাকমা) ওপরই বর্তায়।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক স্ট্যাটাসে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন সর্বমিত্র চাকমা। তিনি এ ঘটনার দায় স্বীকার করে বলেন, এভাবে কাউকে শাস্তি দেওয়া আমার উচিত হয়নি এবং এই ঘটনার জন্য আমি নিঃশর্তভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
এর আগে, একই মাঠে খেলতে আসা কয়েকজন শিশুকে এভাবে শাস্তি দেওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। এ বিষয়ে কথা বলতে সর্বমিত্র চাকমাকে একাধিকাবার ফোন করলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এফএআর/এএমএ
What's Your Reaction?