সহকর্মীদের প্রতিবন্ধী সন্তানের শিক্ষা সহায়তায় স্কলারশিপ চালু করল ব্র্যাক ব্যাংক
প্রাতিষ্ঠানিক অন্তর্ভুক্তি, মর্যাদা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সহকর্মীদের প্রতিবন্ধী সন্তানের শিক্ষায় সহায়তার জন্য স্কলারশিপ প্রোগ্রাম চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
এই স্কলারশিপ প্রোগ্রামের আওতায় কর্মীরা তাদের প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ শিক্ষাবৃত্তি পাবেন। অভ্যন্তরীণ জরিপের মাধ্যমে সহকর্মীদের প্রতিবন্ধী সন্তানদের তথ্য নিয়ে ও তাদের প্রয়োজন জেনে এই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে।
এই স্কলারশিপ ব্র্যাক ব্যাংকের করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (সিএসআর) বা সামাজিক দায়িত্বশীলতার অংশ। এর লক্ষ্য হলো প্রতিষ্ঠানের ভেতর এবং বৃহত্তর সমাজে অর্থবহ ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব সৃষ্টি করা। সহকর্মীদের কল্যাণ ও একটি ন্যায়সঙ্গত পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তিকে প্রাধান্য দিচ্ছে ব্যাংকটি।
ব্র্যাক ব্যাংকের এমন উদ্যোগ সম্পর্কে ব্যাংকটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, ‘ব্র্যাক ব্যাংক দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, অন্তর্ভুক্তি কেবল আলোচনার বিষয় নয়, এটি বাস্তবেও চর্চা করতে হয়। এই স্কলারশিপ আমাদের সহকর্মীদের প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষার পথকে কিছুটা হলেও সহজ করবে এবং প্রতি
প্রাতিষ্ঠানিক অন্তর্ভুক্তি, মর্যাদা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সহকর্মীদের প্রতিবন্ধী সন্তানের শিক্ষায় সহায়তার জন্য স্কলারশিপ প্রোগ্রাম চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
এই স্কলারশিপ প্রোগ্রামের আওতায় কর্মীরা তাদের প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ শিক্ষাবৃত্তি পাবেন। অভ্যন্তরীণ জরিপের মাধ্যমে সহকর্মীদের প্রতিবন্ধী সন্তানদের তথ্য নিয়ে ও তাদের প্রয়োজন জেনে এই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে।
এই স্কলারশিপ ব্র্যাক ব্যাংকের করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (সিএসআর) বা সামাজিক দায়িত্বশীলতার অংশ। এর লক্ষ্য হলো প্রতিষ্ঠানের ভেতর এবং বৃহত্তর সমাজে অর্থবহ ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব সৃষ্টি করা। সহকর্মীদের কল্যাণ ও একটি ন্যায়সঙ্গত পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তিকে প্রাধান্য দিচ্ছে ব্যাংকটি।
ব্র্যাক ব্যাংকের এমন উদ্যোগ সম্পর্কে ব্যাংকটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, ‘ব্র্যাক ব্যাংক দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, অন্তর্ভুক্তি কেবল আলোচনার বিষয় নয়, এটি বাস্তবেও চর্চা করতে হয়। এই স্কলারশিপ আমাদের সহকর্মীদের প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষার পথকে কিছুটা হলেও সহজ করবে এবং প্রতিদিন বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়া সহকর্মীদের কিছুটা হলেও সহায়তা করবে। একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমাদের দায়িত্ব শুধু মুনাফার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং আমরা এমন একটি কর্মক্ষেত্র ও সমাজ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সবাই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবে।’
স্কলারশিপপ্রাপ্ত এক সন্তানের অভিভাবক তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘ব্র্যাক ব্যাংক আমাকে কেবল একজন কর্মী হিসেবেই নয়, বরং ব্র্যাক ব্যাংক পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে সত্যিকার অর্থেই মূল্যায়ন করেছে। সত্যি কথা বলতে কী, আমি কখনোই কর্মস্থল থেকে এমন সহায়তা বা উদ্যোগ প্রত্যাশা করিনি। পেশাগত দায়িত্বের সঙ্গে ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ সামলানো আমার দৈনন্দিন বাস্তবতা। তবুও, ব্র্যাক ব্যাংক আমার না বলা প্রয়োজনটি উপলব্ধি করে আমাদের মতো অভিভাবকদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংকের একজন কর্মী হিসেবে আমি সত্যিই অনেক গর্বিত ও সম্মানিত বোধ করছি।’
বিশ্লেষকদের দাবি, উদ্যোগটি ব্র্যাক ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতিতে সামাজিক দায়িত্বশীলতাকে আরও গভীরভাবে সংযুক্ত করার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। ব্যাংকটির কার্যক্রমের মূলে রয়েছে সহমর্মিতা, ন্যায্যতা ও মানবিকতা।