সাঈদীর মামলার সাক্ষী সুখরঞ্জন বালী অপহরণ মামলায় এএসপি ফজলুর গ্রেপ্তার
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে এসে ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়া সুখরঞ্জন বালী অপহরণ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেপ্তার কর্মকর্তার নাম ফজলুর রহমান। তিনি সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদমর্যাদার কর্মকর্তা ছিলেন।
ডিবি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে রাজধানীর নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার সাক্ষী সুখরঞ্জন বালীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এলাকা থেকে অপহরণের ঘটনায় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তি এএসপি ফজলুর রহমান। বৃহস্পতিবার রাতে তার বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০১২ সালের ৫ নভেম্বর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাঈদীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসেন পিরোজপুরের বাসিন্দা সুখরঞ্জন বালী। ওই দিনই ট্রাইব্যুনাল এলাকা থ
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে এসে ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়া সুখরঞ্জন বালী অপহরণ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেপ্তার কর্মকর্তার নাম ফজলুর রহমান। তিনি সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদমর্যাদার কর্মকর্তা ছিলেন।
ডিবি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে রাজধানীর নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার সাক্ষী সুখরঞ্জন বালীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এলাকা থেকে অপহরণের ঘটনায় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তি এএসপি ফজলুর রহমান। বৃহস্পতিবার রাতে তার বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০১২ সালের ৫ নভেম্বর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাঈদীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসেন পিরোজপুরের বাসিন্দা সুখরঞ্জন বালী। ওই দিনই ট্রাইব্যুনাল এলাকা থেকে তিনি নিখোঁজ হন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাকে সীমান্ত এলাকায় পাওয়া গেছে।
তবে সুখরঞ্জনের পরিবার ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন অভিযোগ করে, ট্রাইব্যুনাল এলাকা থেকেই তাকে তুলে নেওয়া হয়েছিল। ঘটনাটি সে সময় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
পরে ২০২৫ সালের ২১ আগস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর কার্যালয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন সুখরঞ্জন বালী। সেখানে তিনি দাবি করেন, যুদ্ধাপরাধের মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে রাজি না হওয়া এবং পরে সাঈদীর পক্ষে সাক্ষ্য দেওয়ার কারণে তাকে গুম ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।
অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ ৩২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়।
অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম, সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ, সাবেক আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, ট্রাইব্যুনালের সাবেক বিচারক এ টি এম ফজলে কবির, মামলার সাবেক তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন এবং পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম আউয়ালের নামও রয়েছে।