সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, গ্রেফতার ৩

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ধনবাড়ী উপজেলার মজনু মিয়ার ছেলে মো. মৃদুল (১৫), আব্দুর রহমানের ছেলে রায়হান কবীর (১৬) এবং সাজিব উদ্দিন। মঙ্গলবার গ্রেফতার ৩ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১ ফেব্রুয়ারি সকালে ধনবাড়ীর যদুনাথপুর ইউনিয়নের বারইপাড়া গ্রামের এক পরিত্যক্ত ঘর থেকে শিশুর অর্ধ গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা উজ্জল হোসেন বাদী হয়ে ধনবাড়ী থানায় একটি মামলা করেন। ওই শিশু গত ২৬ জানুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন। মামলার পর প্রথমে দুইজনেক গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে কোনো সুস্পষ্ট তথ্য প্রমাণ না পাওয়ায় পুনরায় তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, পরিদর্শনকালে ঘটনাস্থল পাশে পরিত্যক্ত অন্য একটি ঘর থেকে একটি পুথির মালা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত পুথির মালার সূত্র ধরে হত্যাকাণ্ডে সজীব উদ্দিনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যা

সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, গ্রেফতার ৩

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ধনবাড়ী উপজেলার মজনু মিয়ার ছেলে মো. মৃদুল (১৫), আব্দুর রহমানের ছেলে রায়হান কবীর (১৬) এবং সাজিব উদ্দিন। মঙ্গলবার গ্রেফতার ৩ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১ ফেব্রুয়ারি সকালে ধনবাড়ীর যদুনাথপুর ইউনিয়নের বারইপাড়া গ্রামের এক পরিত্যক্ত ঘর থেকে শিশুর অর্ধ গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা উজ্জল হোসেন বাদী হয়ে ধনবাড়ী থানায় একটি মামলা করেন। ওই শিশু গত ২৬ জানুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন। মামলার পর প্রথমে দুইজনেক গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে কোনো সুস্পষ্ট তথ্য প্রমাণ না পাওয়ায় পুনরায় তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, পরিদর্শনকালে ঘটনাস্থল পাশে পরিত্যক্ত অন্য একটি ঘর থেকে একটি পুথির মালা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত পুথির মালার সূত্র ধরে হত্যাকাণ্ডে সজীব উদ্দিনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। সোমবার দুপুরে ওই শিশু হত্যা মামলায় হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে একটি মানববন্ধন অংশ নেয় সাজীব উদ্দিন। পরবর্তীতে সেই মানববন্ধন থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর সাজীবকে জিজ্ঞাসাবাদকালে মৃদুল ও রায়হান কবীরের নাম জানা যায়।

জিজ্ঞাসাবাদে সাজিব আরও জানায়, মৃদুল ও রায়হান ওই শিশুকে ধর্ষণের করে হত্যা করে। হত্যা করার পর কৌশলে তারা মরদেহ গুম করার জন্য পরিত্যক্ত বাড়িতে স্টিলের ট্রাংকের ভিতর লুকিয়ে রাখে। পরবর্তীতে সাজিবের দেওয়া তথ্যমতে মৃদুল ও রায়হান কবীরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তারা পুলিশের কাছে দোষ স্বীকার করে।

আব্দুল্লাহ আল নোমান/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow