সাতক্ষীরায় চড়া পেঁয়াজ-রসুনের দাম, বিপাকে ক্রেতারা
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পেঁয়াজ ও রসুনের দাম কেজিপ্রতি ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। বুধবার (২২ জুলাই) সরেজমিনে কলারোয়া, সরসকাটি বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ১৫ টাকা বেড়ে বর্তমানে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাত্র তিন দিন আগেও একই পণ্য ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। একইভাবে রসুনের দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকা বেড়ে ৮০ টাকায় পৌঁছেছে, যা আগে ছিল ৭০ টাকা। অল্প সময়ের ব্যবধানে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ দুটি পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানান তারা। কলারোয়া বাজারে কেনাকাটা করতে আসা মনিরুজ্জামান বলেন, ‘গত কয়েক মাস ধরে পেঁয়াজের দাম ৩০-৩৫ টাকার মধ্যেই ছিল, আর রসুন ছিল ৭০ টাকা। হঠাৎ করেই পেঁয়াজে ১৫ টাকা ও রসুনে ১০ টাকা বেড়ে গেছে। এতে সাধারণ মানুষের কষ্ট আরও বাড়বে। বাজারে নিয়মিত তদারকি জরুরি।’ উপজেলার সরসকাটি বাজা
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পেঁয়াজ ও রসুনের দাম কেজিপ্রতি ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ।
বুধবার (২২ জুলাই) সরেজমিনে কলারোয়া, সরসকাটি বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ১৫ টাকা বেড়ে বর্তমানে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাত্র তিন দিন আগেও একই পণ্য ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। একইভাবে রসুনের দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকা বেড়ে ৮০ টাকায় পৌঁছেছে, যা আগে ছিল ৭০ টাকা।
অল্প সময়ের ব্যবধানে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ দুটি পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানান তারা।
কলারোয়া বাজারে কেনাকাটা করতে আসা মনিরুজ্জামান বলেন, ‘গত কয়েক মাস ধরে পেঁয়াজের দাম ৩০-৩৫ টাকার মধ্যেই ছিল, আর রসুন ছিল ৭০ টাকা। হঠাৎ করেই পেঁয়াজে ১৫ টাকা ও রসুনে ১০ টাকা বেড়ে গেছে। এতে সাধারণ মানুষের কষ্ট আরও বাড়বে। বাজারে নিয়মিত তদারকি জরুরি।’
উপজেলার সরসকাটি বাজারের ক্রেতা আব্দুল মাজেদ বলেন, ‘মাত্র তিন দিন আগে দুই কেজি পেঁয়াজ ৭০ টাকায় কিনেছি। আজ এসে দেখছি একই পরিমাণ পেঁয়াজ কিনতে ১০০ টাকা লাগছে। শুধু পেঁয়াজ নয়, আদা, আলুসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামও বাড়ছে।’
উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের ছলিমপুর গ্রামের ভ্যানচালক রসুল আমিন বলেন, ‘বাজারে সবকিছুর দাম বাড়ছে। আমাদের মতো সীমিত আয়ের মানুষের সংসার চালানো দিন দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’
বাজারের ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। কলারোয়া বাজারের পেঁয়াজ-রসুনের আড়তদার আলাউদ্দিন বলেন, ‘যে পাইকারি আড়ত থেকে আমরা পণ্য কিনি, সেখানে প্রতিদিনই দাম বাড়ছে। বেশি দামে কিনতে হওয়ায় খুচরা বাজারেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে সাধারণত পেঁয়াজ-রসুনের দাম কিছুটা বাড়ে।’
পেঁয়াজ বিক্রেতা আবুল কাশেম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকায় দেশি পেঁয়াজের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন মোকামে দাম বেড়ে যাওয়ায় আমাদেরও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তবে ভারত থেকে আমদানি শুরু হলে বাজারে দাম কমে আসবে বলে আশা করছি।’
কলারোয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শওকত হোসেন বলেন, ‘উত্তরবঙ্গ থেকে আমরা পেঁয়াজ ও রসুন সংগ্রহ করি। কয়েক দিনে সেখানে দাম বেড়েছে। পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমের কারণেও কিছুটা মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। মৌসুম শেষ হলে বাজার আবার স্বাভাবিক হবে বলে আমরা আশা করছি।’
এদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ, পৌর এলাকার তুলনায় উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামীণ বাজারগুলোতে পেঁয়াজসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আরও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে নিয়মিত তদারকির অভাবে কিছু ব্যবসায়ী ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।
What's Your Reaction?