সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক নির্যাতন দিন দিন বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি খলিলনগর রায়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিবাদ ও মানববন্ধনের রেশ না কাটতেই, এবার একই উপজেলার মাঝিয়াড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তালা সদর ইউনিয়নের ৮৮ নম্বর মাঝিয়াড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র রিয়াদ সরদার (৮) গত ২৯ জুন দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রহিমা খাতুনের হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়। এতে তার কানের পাশে আঘাত লেগে রক্তপাতের ঘটনা ঘটে বলে দাবি পরিবারের। ঘটনার পর বাড়ি ফিরে শিশুটি তার বাবা-মাকে বিষয়টি জানায়। পরদিন ৩০ জুন তাকে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অভিভাবকরা সন্তানকে ওই বিদ্যালয়ে আর না পড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন এবং বিদ্যালয়ে গিয়ে বই ফেরত দিতে গেলে পরবর্তীতে বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তারা। এ বিষয়ে রিয়াদ সরদার ও তার বাবা সেলিম সরদার অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত

সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক নির্যাতন দিন দিন বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি খলিলনগর রায়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিবাদ ও মানববন্ধনের রেশ না কাটতেই, এবার একই উপজেলার মাঝিয়াড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তালা সদর ইউনিয়নের ৮৮ নম্বর মাঝিয়াড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র রিয়াদ সরদার (৮) গত ২৯ জুন দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রহিমা খাতুনের হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়। এতে তার কানের পাশে আঘাত লেগে রক্তপাতের ঘটনা ঘটে বলে দাবি পরিবারের। ঘটনার পর বাড়ি ফিরে শিশুটি তার বাবা-মাকে বিষয়টি জানায়। পরদিন ৩০ জুন তাকে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অভিভাবকরা সন্তানকে ওই বিদ্যালয়ে আর না পড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন এবং বিদ্যালয়ে গিয়ে বই ফেরত দিতে গেলে পরবর্তীতে বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তারা। এ বিষয়ে রিয়াদ সরদার ও তার বাবা সেলিম সরদার অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রহিমা খাতুন এ ধরনের ঘটনা আর ঘটাবে বলে তাদের আশ্বস্ত করেন।  এ বিষয়ে মুঠোফোনে উক্ত প্রধান শিক্ষকের কাছে ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতার অস্বীকার করেন।  বিষয়টি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সাতক্ষীরা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার তালা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তালা দৃষ্টি আকর্ষণ করে তদন্তপূর্বক আইন গত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানানো হয়েছে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow