সাতক্ষীরায় বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রাতে শীতবস্ত্র বিতরণ

তীব্র শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরা। চলতি শীত মৌসুমে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি)। ওই দিন সকাল ৬টায় সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিস ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করে। হাড় কাঁপানো এই শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, কৃষিশ্রমিক ও ছিন্নমূল জনগোষ্ঠী। পরিস্থিতি বিবেচনায় মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় ঘুরে ঘুরে শীতার্ত শত শত মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ্ আফরোজা আখতার। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার মাটিয়াডাঙ্গা ও আশপাশের এলাকায় সরেজমিন উপস্থিত থেকে শীতার্ত মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন জেলা প্রশাসক। পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকাতেও শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। জেলায় টানা তিন দিন ধরে সূর্যের দেখা না মেলায় জনজীবন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার কারণে সকাল থেকেই ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে শহরের রাস্তাঘাট ও বাজার। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের তীব

সাতক্ষীরায় বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রাতে শীতবস্ত্র বিতরণ
তীব্র শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরা। চলতি শীত মৌসুমে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি)। ওই দিন সকাল ৬টায় সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিস ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করে। হাড় কাঁপানো এই শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, কৃষিশ্রমিক ও ছিন্নমূল জনগোষ্ঠী। পরিস্থিতি বিবেচনায় মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় ঘুরে ঘুরে শীতার্ত শত শত মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ্ আফরোজা আখতার। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার মাটিয়াডাঙ্গা ও আশপাশের এলাকায় সরেজমিন উপস্থিত থেকে শীতার্ত মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন জেলা প্রশাসক। পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকাতেও শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। জেলায় টানা তিন দিন ধরে সূর্যের দেখা না মেলায় জনজীবন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার কারণে সকাল থেকেই ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে শহরের রাস্তাঘাট ও বাজার। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের তীব্রতাও বাড়ছে। সরেজমিন দেখা গেছে, অনেক ছিন্নমূল মানুষ পর্যাপ্ত গরম কাপড়ের অভাবে খড়কুটো ও লতাপাতা জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। যদিও সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম চলছে, তবুও শীতের প্রকোপে দুর্ভোগ কমছে না। সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন জানান, মঙ্গলবার সকালে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৮ শতাংশ। তিনি বলেন, ‘আগামী দু-এক দিনের মধ্যে তাপমাত্রা আরও ওঠানামা করতে পারে।’ এর আগে সোমবার (৫ জানুয়ারি) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow