সাতক্ষীরায় ভোটের প্রস্তুতি সম্পন্ন, কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে সরঞ্জাম

সাতক্ষীরায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে জেলার সাতটি উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তায় ভোটকেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানো শুরু হয়েছে। সকাল থেকেই সাতক্ষীরা সদরসহ সাতটি উপজেলা কার্যালয় চত্বরে ব্যস্ততা দেখা যায়। সারি সারি সাজিয়ে রাখা হয় স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালি, সিল প্যাডসহ ভোটগ্রহণের প্রয়োজনীয় উপকরণ। প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা নিজ নিজ কেন্দ্রের জন্য বরাদ্দকৃত সরঞ্জাম বুঝে নিচ্ছেন। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দুর্গম উপকূলীয় এলাকা বিশেষ করে শ্যামনগর ও আশাশুনির নদীবেষ্টিত কেন্দ্রগুলোতে সরঞ্জাম পৌঁছে দিতে বিশেষ নৌযানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে জেলায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সরঞ্জাম পরিবহন থেকে শুরু করে ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণার সময় পর্যন্ত মাঠে থাকবে বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করবেন নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা। জেলার ৬০৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৭৯টিকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে

সাতক্ষীরায় ভোটের প্রস্তুতি সম্পন্ন, কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে সরঞ্জাম

সাতক্ষীরায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে জেলার সাতটি উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তায় ভোটকেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানো শুরু হয়েছে।

সকাল থেকেই সাতক্ষীরা সদরসহ সাতটি উপজেলা কার্যালয় চত্বরে ব্যস্ততা দেখা যায়। সারি সারি সাজিয়ে রাখা হয় স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালি, সিল প্যাডসহ ভোটগ্রহণের প্রয়োজনীয় উপকরণ। প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা নিজ নিজ কেন্দ্রের জন্য বরাদ্দকৃত সরঞ্জাম বুঝে নিচ্ছেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দুর্গম উপকূলীয় এলাকা বিশেষ করে শ্যামনগর ও আশাশুনির নদীবেষ্টিত কেন্দ্রগুলোতে সরঞ্জাম পৌঁছে দিতে বিশেষ নৌযানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে জেলায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সরঞ্জাম পরিবহন থেকে শুরু করে ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণার সময় পর্যন্ত মাঠে থাকবে বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করবেন নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা।

জেলার ৬০৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৭৯টিকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন থাকবে। সাতক্ষীরায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৮ লাখের বেশি। সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় প্রায় ২০০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। সরঞ্জাম পৌঁছানোর পর কেন্দ্রে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নেওয়া হবে। আগামীকাল সকাল থেকে শুরু হবে ভোটগ্রহণ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow