সাবেক এমপি আশিকা সুলতানা তিন দিনের রিমান্ডে
রাজধানীর মিরপুর মডেল থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার নীলফামারী-৩ আসনের (সংরক্ষিত) সাবেক সংসদ সদস্য আশিকা সুলতানার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন মাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জরুল ইসলাম আদালত তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক আল মামুন হোসাইন আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এদিন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুল হক দিদার রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী জাহাঙ্গীর আলম রিমান্ডের বিরোধিতা করে শুনানি করেন। এর আগে গতকাল রাত ১১টা ৫০ মিনিটে মিরপুর ১১ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৯ জুন মিরপুর ১-এর এপেক্স শোরুম সংলগ্ন বাটা শোরুমের সামনের রাস্তায় আওয়ামী লীগ- ছাত্রলীগের ৪০ থেকে ৫০ জন সরকারবিরোধী মিছিল করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা তাদের কাছে থাকা বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন রেখে পালিয়ে যায়। পরে ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রত
রাজধানীর মিরপুর মডেল থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার নীলফামারী-৩ আসনের (সংরক্ষিত) সাবেক সংসদ সদস্য আশিকা সুলতানার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন মাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জরুল ইসলাম আদালত তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক আল মামুন হোসাইন আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এদিন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুল হক দিদার রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী জাহাঙ্গীর আলম রিমান্ডের বিরোধিতা করে শুনানি করেন।
এর আগে গতকাল রাত ১১টা ৫০ মিনিটে মিরপুর ১১ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৯ জুন মিরপুর ১-এর এপেক্স শোরুম সংলগ্ন বাটা শোরুমের সামনের রাস্তায় আওয়ামী লীগ- ছাত্রলীগের ৪০ থেকে ৫০ জন সরকারবিরোধী মিছিল করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা তাদের কাছে থাকা বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন রেখে পালিয়ে যায়। পরে ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তারা মিছিল করেছে। ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করে।
রিমান্ড আবেদনে পুলিশ উল্লেখ করে, বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ওই ঘটনার সঙ্গে আসামি আশিকা সুলতানা জড়িত আছে। তিনি আওয়ামী লীগের একজন অর্থদাতা বলেও পুলিশ দাবি করে। সুতরাং মিছিলের মূল রহস্য উদঘাটন, পলাতকদের গ্রেপ্তার ও আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের মিছিলের নেতৃত্বদানকারীদের রহস্য উদঘাটনে তাকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
What's Your Reaction?