সাবেক এমপি তুহিনকে ফের গ্রেফতার দেখাতে আবেদন পুলিশের
রাজধানীর মিরপুর মডেল থানার একটি মামলায় সাবেক এমপি সাবিনা আক্তার তুহিনকে ফের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। বিচারক আরিফুল ইসলামের আদালত এ শুনানি গ্রহণ করবেন। ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, মিরপুর মডেল থানার একটি মামলায় সাবিনা আক্তার তুহিনকে সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে ফের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬এ, ৩০৭, ১৪৯, ১২০বি, ১০৯ ও ৩৪ ধারায় দায়ের করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (নিরস্ত্র) রাশেদুল ইসলাম আবেদনে উল্লেখ করেন, সাবিনা আক্তার তুহিন সংরক্ষিত নারী আসন-৩৩৫ এর সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি বর্তমানে মিরপুর মডেল থানার আরেকটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। ওই মামলাটি গত বছরের ২২ এপ্রিল দায়ের করা হয় এবং এতে দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৮, ১৪৯, ৩০২, ১১৪ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। গ্রেফতার দেখানোর আবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই দুপুর দেড়টার দিক
রাজধানীর মিরপুর মডেল থানার একটি মামলায় সাবেক এমপি সাবিনা আক্তার তুহিনকে ফের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। বিচারক আরিফুল ইসলামের আদালত এ শুনানি গ্রহণ করবেন।
ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মিরপুর মডেল থানার একটি মামলায় সাবিনা আক্তার তুহিনকে সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে ফের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬এ, ৩০৭, ১৪৯, ১২০বি, ১০৯ ও ৩৪ ধারায় দায়ের করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (নিরস্ত্র) রাশেদুল ইসলাম আবেদনে উল্লেখ করেন, সাবিনা আক্তার তুহিন সংরক্ষিত নারী আসন-৩৩৫ এর সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি বর্তমানে মিরপুর মডেল থানার আরেকটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। ওই মামলাটি গত বছরের ২২ এপ্রিল দায়ের করা হয় এবং এতে দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৮, ১৪৯, ৩০২, ১১৪ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
গ্রেফতার দেখানোর আবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় ফায়ার সার্ভিসের সামনে বাদী ও তার শ্যালক মো. সিরাজ ভ্যানগাড়িতে কাপড় বিক্রি করছিলেন। একইসময় এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলছিল। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, শ্রমিকলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা রাইফেল, বন্দুক ও পিস্তল নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ করা হয়।
আবেদনে আরও বলা হয়, গুলির সময় রাবার বুলেট বাদীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাগে। এতে তিনি রাস্তায় পড়ে গেলে আসামিরা তাকে লাঠিসোঁটা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করেন। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল এবং পরে নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে নিয়ে যান।
একই দিন দুপুর ২টার দিকে ভ্যানগাড়িতে কাপড় গুছানোর সময় বাদীর শ্যালক মো. সিরাজের টিয়ারশেলের আঘাতে দুই চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া গুলিতে তার বাম পা গুরুতর জখম হয়। পরে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা তাকে উদ্ধার করে জাতীয় অর্থোপেডিক ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান এবং পরবর্তীতে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করেন।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে দাবি করা হয়, মামলার ঘটনার সঙ্গে সাবিনা আক্তার তুহিনের সম্পৃক্ততার বিষয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। এজন্য মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে ফের গ্রেফতার দেখানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে পরবর্তীতে তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হতে পারে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এমডিএএ/এমকেআর
What's Your Reaction?