সাবেক এমপি রুবিনা ও তার স্বামীর ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ 

সাবেক সংসদ সদস্য (সংরক্ষিত) সৈয়দা রুবিনা আক্তারের দুটি ও তার স্বামী মোশাররফ হোসেন সরদারের ১টি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের (অবরুদ্ধ) আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুদকের পৃথক দুটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, সৈয়দা রুবিনা আক্তার সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিজ ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ১ কোটি ৫৭ লাখ  টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অসাধু উপায়ে অর্জনপূর্বক দখলে রেখে এবং তার নিজ নামীয় ও স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১৩৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ অবৈধ অর্থ জ্ঞাতসারে হস্তান্তর, রূপান্তর, স্থানান্তর করায় দুদক মামলা দায়ের করেছেন। প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়, আসামি বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক অর্থ পাচার করার নিমিত্তে বর্ণিত অর্থ দুটি হিসাবে জমা রেখেছেন। যেকোন সময় বর্ণিত অর্থ উত্তোলনপূর্বক বিদেশে পাচার বা গোপন করার এবং বিপুল পরিমাণ অর্

সাবেক এমপি রুবিনা ও তার স্বামীর ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ 
সাবেক সংসদ সদস্য (সংরক্ষিত) সৈয়দা রুবিনা আক্তারের দুটি ও তার স্বামী মোশাররফ হোসেন সরদারের ১টি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের (অবরুদ্ধ) আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুদকের পৃথক দুটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, সৈয়দা রুবিনা আক্তার সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিজ ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ১ কোটি ৫৭ লাখ  টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অসাধু উপায়ে অর্জনপূর্বক দখলে রেখে এবং তার নিজ নামীয় ও স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১৩৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ অবৈধ অর্থ জ্ঞাতসারে হস্তান্তর, রূপান্তর, স্থানান্তর করায় দুদক মামলা দায়ের করেছেন। প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়, আসামি বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক অর্থ পাচার করার নিমিত্তে বর্ণিত অর্থ দুটি হিসাবে জমা রেখেছেন। যেকোন সময় বর্ণিত অর্থ উত্তোলনপূর্বক বিদেশে পাচার বা গোপন করার এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ উল্লিখিত হিসাবে জমা প্রদানের সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে মর্মে তদন্তকালে প্রতীয়মান হয়।  এছাড়া, অপর একটি আবেদনে তার স্বামী মোশাররফ হোসেনের একটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আবেদন করেন দুদক। শুনানি শেষে আদালত দুদকের আবেদন মঞ্জুর করেন।  স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আবু আলম মোহাম্মদ শহিদ খানের চারটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধেরও আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একই আদালত। দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, আবু আলম মোহাম্মদ শহিদ খানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগটি অনুসন্ধানাধীন রয়েছে। অনুসন্ধানকালে বিভিন্ন সূত্র হতে প্রাপ্ত তথ্য মূলে জানা যায় যে, তিনি তার নিজ নামে অর্জিত এবং তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট হিসাবসমূহে রক্ষিত ব্যাংক হিসাবের অর্থ যে কোন সময় উত্তোলনপূর্বক অন্যত্র স্থানান্তর, হস্তান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow