সাবেক প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরী মারা গেছেন
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া-আংশিক) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। সোমবার (১৩ জুলাই) ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নজরুল ইসলাম চৌধুরীর ভাতিজা নাহিয়ান চৌধুরী। তিনি জানান, আজ রাত ১০টায় চট্টগ্রাম নগরীর বাসার সামনে (বিভারলি হিল সোসাইটি) প্রথম জানাজা এবং আগামীকাল বেলা ১১টায় চন্দনাইশের কাঞ্চনাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়ে, আত্মীয়স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। নজরুল ইসলাম চৌধুরী চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসন থেকে তিনবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ছাত্র-জনতার
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া-আংশিক) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।
সোমবার (১৩ জুলাই) ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নজরুল ইসলাম চৌধুরীর ভাতিজা নাহিয়ান চৌধুরী। তিনি জানান, আজ রাত ১০টায় চট্টগ্রাম নগরীর বাসার সামনে (বিভারলি হিল সোসাইটি) প্রথম জানাজা এবং আগামীকাল বেলা ১১টায় চন্দনাইশের কাঞ্চনাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়ে, আত্মীয়স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
নজরুল ইসলাম চৌধুরী চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসন থেকে তিনবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতন এবং জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত হলে তার সংসদ সদস্যের দায়িত্বেরও অবসান ঘটে।
তার মৃত্যুতে চন্দনাইশ ও সাতকানিয়াসহ চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
এমআরএএইচ/জেএইচ
What's Your Reaction?