সাবেক মন্ত্রী আব্দুর রহমানের স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দের আদেশ

সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য মো. আব্দুর রহমানের স্ত্রী ডা. মির্জা নাহিদা হোসেনের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অবৈধ অর্থ স্থানান্তরের মামলায় তার মূল আয়কর নথি জব্দের আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পর এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন। রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, শুনানি শেষে আদালত দুদকের আবেদন মঞ্জুর করেন। মামলাটি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ডা. মির্জা নাহিদা হোসেন ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ৬ কোটি ৩০ লাখ ৮৯ হাজার ৮৮৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া তার হিসাবে ২৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকার বেশি সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে তদন্ত কর্মকর্তা মোঃ মনজুরুল ইসলাম মিন্টু আদালতে আবেদন করেন, আসামির করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) এর শুরু থেকে ২০২৫-২৬ করবর্ষ পর্যন্ত সব আয়কর নথি জ

সাবেক মন্ত্রী আব্দুর রহমানের স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দের আদেশ

সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য মো. আব্দুর রহমানের স্ত্রী ডা. মির্জা নাহিদা হোসেনের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অবৈধ অর্থ স্থানান্তরের মামলায় তার মূল আয়কর নথি জব্দের আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পর এ আদেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন।

রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, শুনানি শেষে আদালত দুদকের আবেদন মঞ্জুর করেন।

মামলাটি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ডা. মির্জা নাহিদা হোসেন ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ৬ কোটি ৩০ লাখ ৮৯ হাজার ৮৮৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া তার হিসাবে ২৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকার বেশি সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

মামলার তদন্ত কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে তদন্ত কর্মকর্তা মোঃ মনজুরুল ইসলাম মিন্টু আদালতে আবেদন করেন, আসামির করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) এর শুরু থেকে ২০২৫-২৬ করবর্ষ পর্যন্ত সব আয়কর নথি জব্দ ও পর্যালোচনার অনুমতি প্রয়োজন। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আয়কর নথিপত্র যাচাই করলে সম্পদ ও আয়-ব্যয়ের প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে।

 এমডিএএ/এসএনআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow