সাভারে ‘নব্য জেএমবি’ সদস্য ইমরান ৬ দিনের রিমান্ডে
সাভার থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘নব্য জেএমবি’র সদস্য মোহাম্মদ আরিফ ওরফে ইমরানকে ৬ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সোহাগ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট সাভার জিআরও শাখার উপপরিদর্শক (এসআই) বাহাজ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এদিন আদালতে তার পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। এর আগে তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নুর মোহাম্মদ আসামিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদন থেকে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গত ১১ আগস্ট রাতে সাভারের বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে পুলিশ। পরে বুধবার (১২ আগস্ট) পুলিশবাদী সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। যে মামলাটিতে এজাহারনামীয় ৬/৭ জন এবং কয়েকজন অজ্ঞাতনামা আসামি পলাতক রয়েছে। অভিযানের সময় তার সঙ্গে থাকা অন্য অজ্ঞাতনামা ৬/৭ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শ্যামপুরের ভাড়া বাসা থেকে ধ্বংসাত
সাভার থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘নব্য জেএমবি’র সদস্য মোহাম্মদ আরিফ ওরফে ইমরানকে ৬ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সোহাগ এ আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট সাভার জিআরও শাখার উপপরিদর্শক (এসআই) বাহাজ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এদিন আদালতে তার পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
এর আগে তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নুর মোহাম্মদ আসামিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
রিমান্ড আবেদন থেকে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গত ১১ আগস্ট রাতে সাভারের বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে পুলিশ। পরে বুধবার (১২ আগস্ট) পুলিশবাদী সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। যে মামলাটিতে এজাহারনামীয় ৬/৭ জন এবং কয়েকজন অজ্ঞাতনামা আসামি পলাতক রয়েছে।
অভিযানের সময় তার সঙ্গে থাকা অন্য অজ্ঞাতনামা ৬/৭ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শ্যামপুরের ভাড়া বাসা থেকে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত বেশ কিছু জিনিসপত্র ও বিস্ফোরক তৈরির উপাদান উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তার কাছ থেকে জিহাদী বই এবং নয়া জেএমবির বেশ কিছু সাংগঠনিক নথি জব্দ করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেন, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে রাষ্ট্রবিরোধী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্দেশ্যে এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির জন্য ওই স্থানে মিলিত হয়েছিল। পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার, জঙ্গি সংগঠনের অর্থদাতা ও পরামর্শদাতা নির্দেশদাতাদের শনাক্ত করার জন্য আসামিকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের প্রয়োজন।
What's Your Reaction?